1. admin@janasongjog.com : admin :
  2. kimbhary@sengined.com : kimbhary :
  3. jeffereybillson1051@1secmail.org : kpuklaudia :
  4. agrant807@yahoo.com : latoshalvz :
  5. margarite@i.shavers.skin : lucillerodger :
  6. bookcafebd21@gmail.com : Sazzadur : Sazzadur
  7. test15983366@mailbox.imailfree.cc : test15983366 :
  8. test41245078@inbox.imailfree.cc : test41245078 :
  9. ariannekeeling@1secmail.org : thaliacedillo46 :
  10. zakirmin976@gmail.com : Zakir_min :
সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি ফুটবলের আবেদন কমিয়ে দিচ্ছে না তো ! | জনসংযোগ
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:০৭ অপরাহ্ন

সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি ফুটবলের আবেদন কমিয়ে দিচ্ছে না তো !

  • প্রকাশের সময় বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে
FB IMG 1669200940478
print news

আরমান হোসেন পার্থঃ
সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি নামটা শুনেছি প্রায় ৬ মাস আগে। ভয়টা তখন থেকেই। এই অতি আধুনিক প্রযুক্তি ফুটবলের আবেদনটা কময়ে দেবে না তো! সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি কী সে আলোচনায় পরে আসছি। তার আগে বলে নেই অবশ্যই অফসাইডের বিধি মেনেই খেলেটা আপনাকে খেলতে হবে। অফসাইডের গোল বৈধ নয়। আর এই অফসাইড ধরার জন্য রেফারি, দুজন লাইন্সম্যান,মাঠের বাইরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভার) আছে যারা সারাক্ষণ বিভিন্ন ক্যামেরা থেকে তারা নজর।

কিন্তু কাতার বিশ্বকাপে যে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে তা অতি আধুনিক। যেখানে ভুল হওয়ার কোনো চ্যান্সই নাই। কিন্তু খেলাটা তো খেলছে মানুষ । পরিচালনাও করছে মানুষ। তাই এখানে ছোটোখাটো ভুল হবে এটাই তো বোধহয় স্বাভাবিক। সেই ভুল নিয়ে আলোচনা হবে, ম্যাচের পর পক্ষে বিপক্ষে তর্ক হবে এই না খেলার আসল মজা। কিন্তু খেলাটাকে একবারে নিখুঁত করতে গিয়ে রোবোটিক বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা এমন যে খেলছে মানুষ আর নিয়ন্ত্রণ করছে প্রযুক্তি।

হ্যাঁ, প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে কিন্তু পুরোটাই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে গেলে তো বিষয়টা কেমন যেনো হয়ে যায়। তবু দিনশেষে একটা সান্ত্বনা কোনো দলের এডভান্টেজ পাওয়ার সুযোন নেই, নূন্যতম সুযোগ নেই। খেলাটা হচ্ছে স্বচ্ছ, পুরোপুরি স্বচ্ছ। এটা মানিয়ে নিতে দর্শকদের একটু সময় লাগবে। একবার মানিয়ে গেলে হয়তো এখন যেমন একটু বোরিং লাগছে সেটা আর থাকবে না। যদিও এ সবকিছুই নির্ভর করছে যদি কিন্তুর উপর তবু দেখা যাক।

এখন আসা যাক সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি জিনিসটা কী? অফসাইড নিয়ে নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিতে এই প্রযুক্তিতে অপটিক্যাল ট্রাকিং সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে। ইনফ্রারেড মার্কারের মাধ্যমে রিয়েল–টাইমে মাঠে খেলোয়াড় ও বলের অবস্থান বোঝা যাচ্ছে এই প্রযুক্তিতে। সেমি অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেম মূলত ভিএআর প্রযুক্তিকে আরও নিখুঁত ও অনেক দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করছে।

প্রশ্ন হলো এটা কাজ করছে কীভাবে? প্রতিটি খেলোয়াড়ের শরীরে ২৯টি জায়গা মার্ক করে তাঁদের ত্রিমাত্রিক অবয়ব তৈরি করছে সেমি অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেম। এটার মাধ্যমে অফসাইডের নিখুঁত আর খুবই সুক্ষ্ম তথ্যটাও মূহুর্তের মধ্যে চলে যাচ্ছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির কাছে। ওখান থেকে সিদ্ধান্ত খুব দ্রুত ফিল্ড রেফারির কাছে চলে গেলে তিনি ফাইনাল সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়ফের জানিয়ে দিচ্ছে। পাশাপাশি কাতার বিশ্বকাপের বল ‘আল রিহলা’তেও আছে সেন্সর। যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ সেন্সর পাঠাচ্ছে ভিএআরের কাছে।

যার মাধ্যমে বলে পাস দেওয়ার সময় খেলোয়াড় অফসাইড কিনা তার সঠিক তথ্য জানা যাচ্ছ। এদিকে স্টেডিয়ামের উপরে ১২টা ক্যামেরা সেট করা আছে যেগুলোও এই প্রযুক্তির অংশ। পুরো বিষয়টা আরও পরিষ্কার করে বললে বিষয়টা এমন যে, কোনো প্লেয়ারের হাতের নখও যদি অফ সাইড এড়িয়ায় পড়ে যায় তবু সেমি অটোমেটেড প্রযুক্তি ওটা মার্ক করে ফেলবে। গতকাল ম্যাচেই যেমন লাওতারো মার্টিনেজের দ্বিতীয় অফসাইডের ওই গোলটা। মার্টিনেজের শোল্ডারের সামান্য একটা অংশ অফসাইড জোনে ছিল যে কারণেই গোলটা পরে বাতিল হয়ে যায়।

গতকাল আর্জেন্টিনা- সৌদি আরব ম্যাচে আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা ১০বার অফসাইডে জড়িয়েছেন। যেখানে গত রাশিয়া বিশ্বকাপে পুরো আসরে মেসির অফসাইডে বল জালে জড়িয়েছিলেন ৬ বার। ফিফা এত সব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এনেছে গতির খেলা ফুটবলে যেন গতি হারিয়ে না যায়। কারণ আগে যখন ভিএআর ছিল তখন মাঠের রেফারিকে মাঠের বাইরে ভিএআর রুমে গিয়ে মনিটরে চেক করে এসে সিদ্ধান্ত দিতে হতো এতে সময় খরচ হতো এক দেড় মিনিটের মতো ক্ষেত্রবিশেষে দুই- মিনিটও লেগে যেত। যেন এই সিদ্ধান্তটা আরও দ্রুত নেওয়া যায় এ কারণে ফিফার এত সব আয়োজন। এতে করে খেলাটা একদম স্বচ্ছ হচ্ছে কথা সত্য কিন্তু পুরো ব্যাপারটা একটু রোবোটিক হয়ে যাচ্ছে না তো!

বি:দ্র: লেখাটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উপলব্ধি। পক্ষে বিপক্ষে মত থাকতে পারে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..



সর্বশেষ খবর