1. admin@janasongjog.com : জনসংযোগ ডেস্ক :
  2. harwin@sengined.com : harwin :
  3. kimbhary@sengined.com : kimbhary :
  4. jeffereybillson1051@1secmail.org : kpuklaudia :
  5. lyssa@g.makeup.blue : lachlanmilligan :
  6. agrant807@yahoo.com : latoshalvz :
  7. margarite@i.shavers.skin : lucillerodger :
  8. malinde@b.roofvent.xyz : reneebrotherton :
  9. bookcafebd21@gmail.com : Sazzadur : Sazzadur
  10. test15983366@mailbox.imailfree.cc : test15983366 :
  11. test18127693@mailbox.imailfree.cc : test18127693 :
  12. test26756731@email.imailfree.cc : test26756731 :
  13. test34593328@email.imailfree.cc : test34593328 :
  14. test38309499@mailbox.imailfree.cc : test38309499 :
  15. test41245078@inbox.imailfree.cc : test41245078 :
  16. test42396905@mailbox.imailfree.cc : test42396905 :
  17. ariannekeeling@1secmail.org : thaliacedillo46 :
  18. zakirmin976@gmail.com : Zakir_min :
ইসলামী ব্যাংক দখল ও ভয়ংকর নভেম্বর -নুর মোহাম্মদ | জনসংযোগ
বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

ইসলামী ব্যাংক দখল ও ভয়ংকর নভেম্বর -নুর মোহাম্মদ

  • প্রকাশের সময় মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
20221129 131507
print news

২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে ইসলামী ব্যাংকে একটা ‘ভয়াবহ ক্যু’ হয়েছিল। চোর-ডাকাতরা লুট করার জন্য নগ্ন হস্তক্ষেপ করতেই পারে। আমার বিষ্ময়ের জায়গা ছিল, একটা বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতির পরে বাড়ির লোকেরা ডাকাতদের অভিনন্দন জানিয়েছিল। জি, এটাই সত্য। ‘জাহের-মুস্তফা আনোয়ার-মান্নান’ গংদের কবল থেকে ইসলামী ব্যাংককে মুক্ত দেখে ইসলামী ব্যাংকেরই কর্মকর্তাদের বড়ো একটা অংশ সে কি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিল! দখলদার নতুন নেতৃত্ব এসে ব্যাংক কর্মকর্তাদের বড়ো ধরণের বেতন বাড়িয়েছিল এবং এক্সট্রা কিছু সুবিধাদি দিয়েছিল। আমি নিজে স্বাক্ষী, অসংখ্য কর্মকর্তা বলেছে, আল্লাহ ইসলামী ব্যাংককে কিছু কৃপণের হাত থেকে রক্ষা করলো। বহু কর্মকর্তা আলহামদুলিল্লাহ পড়েছে।

রাতারাতি বহু জামায়াতি (ভালো অর্থে জামায়াতি বলছি; এরা জামায়াত-ছাত্রশিবিরের পরিচয়ে চামবাজী করেই বড়ো কর্মকর্তা বনে গিয়েছিল) আওয়ামী লীগার হয়ে গেল। কোনো সন্দেহ নাই, ইসলামী ব্যাংক জামায়াতের ব্রেনচাইল্ড। ভনিতা করে বললে সত্য গোপন করা হবে। জামায়াতের শীর্ষনেতাদের প্রত্যক্ষ পরামর্শে, সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের আলোকে একদল মর্দে মুজাহিদ বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালুর দুঃসাহস করেছিল। আজকে কিছু ব্যাংকার ভংচং অনেক ইতিহাস লিখে। হ্যাঁ, এসব ইতিহাস বাহিরে দৃশ্যমান ইতিহাস; ব্যাকডোরের ইতিহাসের কাছে এসব খড়কুটো মাত্র।

পুরো বাংলাদেশে জামায়াত নেতাকর্মীরা ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চষে বেড়িয়েছে। জেলায় জেলায়, থানায় থানায় বৈঠক করে ব্যাংককে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে। ২০১৭ সালের ক্যুয়ের পর সেই ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারাই ছাত্রশিবিরের ছেলেদের ব্যাংকে ঢুকতে দেয়নি। ‘পেশাদারিত্ব’ দেখিয়েছে। আমি খুব দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি, কেবলমাত্র সাংগঠনিক সিল ছিল বলে বহু কর্মকর্তা কোর্ট-টাই পরার সুযোগ পেয়েছে। এরাই দুঃসময়ে নিষ্ঠুর আঘাত করেছে। ইসলামী ব্যাংক লুটের টাকার হোলসেলার নির্দিষ্ট একটা গোষ্ঠি; তবে তাদের খুচরা বিক্রেতা ইসলামী ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা। হোলসেলারদের সবাই চিনেন, সবাই এখন গালাগালি করছেন; কিন্তু খুচরা বিক্রেতাদের ধোয়া-তুলসি পাতা বানিয়ে রাখা তো যাবে না।

জামায়াত-ছাত্রশিবির ইসলামী ব্যাংককে রক্ত-ঘাম দিয়ে তিলেতিলে গড়ে তুলেছিল। বাংলাদেশ স্বাক্ষী, বাংলাদেশের মানুষেরা স্বাক্ষী- কী এক দারুণ ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল, কী অনন্য সাধারণ সিস্টেম ডেভেলপড হয়েছিল। দুনিয়ার বুকে অন্যতম সেরা ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশকে সম্মান এনে দিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক। দুনিয়ার অন্যান্য ব্যাংকগুলো এসে ইসলামী ব্যাংক থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে যেতো। পৃথিবীব্যাপী বহু ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের কর্মকর্তাদের হায়ার করে নিতো।

১৭ সালের ক্যুয়ের পর সে ব্যাংক হয়ে গেল ‘ইসলামী ব্যাংক পটিয়া লিমিটেড’। প্রতিষ্ঠাতাদের একের পর এক লাত্থি মারা হলো। ২০১৩ সালের কথিত গণজাগরণ মঞ্চের কুশীলবরা যখন ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ ভাঙতে শুরু করলো, তখন একদল দুঃসাহসী তরুণ রাত জেগে পাহাড়া দিয়ে ব্যাংক হেফাজত করেছিল। উচ্চ বেতনের ব্যাংক কর্মকর্তারা রাতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়িতে ঘুমিয়েছে ঠিকই। সেই তরুণদের নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো ব্যাংকের সীমানায়।

আমার এ লেখা দেখে আপনাদের মনে হতেই পারে, ইসলামী ব্যাংকের আজকের এই পরিণতির জন্য একচোখা হয়ে কেবল ব্যাংক কর্মকর্তাদের দোষ দিচ্ছি। নাহ। একদম না। লুটেরা-ডাকাতদের নিয়ে আলাপ ভিন্ন। তাদের বিচার একদিন অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ। সেদিন খুব দূরে নয়। আজকের আলাপ অভ্যন্তরীণ নিষ্ঠুর আঘাতকারীদের সমীপে।

যারা জালিমের সহযোগী হয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলেছিলেন সামান্য কিছু স্বার্থের লোভে, তাদের পরিণতি অবশ্যই দেখতে চাইব। ইসলামী ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলেও তো খুশি! আমরা দেখতে চাই, আল্লাহর পরিবর্তে যাদের রাজ্জাক বানিয়ে নিয়েছিল, কীভাবে তারা আগামীদিন পাড়ি দেয়। মজলুমদের সাথে জুলুম করার দুঃসাহস কীভাবে হয়েছিল, এ দুনিয়ায় দেখব না?

ইসলামী ব্যাংক একদিন দখলমুক্ত হবেই ইনশাআল্লাহ। সেদিন প্রত্যেক জালিমের বিচার হবে। প্রথম বিচার হবে ঘরের শত্রুদের। কোনো চামবাজীতে কাজ হবে না, কোনো সুপারিশে কাজ হবে না।

একটা কথা পরিস্কার করে রাখি। ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নাই, আছে কেবল শিক্ষা। ইনশাআল্লাহ, একটা মিটিংয়ের সিদ্ধান্তে এমন ব্যাংক এক দিনের তৈরি করা সম্ভব। কেবল একটা নয়, একসাথে পাঁচটি ব্যাংক স্টার্ট করা সম্ভব। সে পরিমাণ দক্ষ কর্মী, সততা, যোগ্যতা ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন একদল মানুষ তৈরি হয়ে আছে, আলহামদুলিল্লাহ।

গায়ের জোরে একটা সুন্দর বাগান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, যাক। আমরা আবার মালি নিয়োগ করব, আবার বাগান ফুলে-ফলে সুশোভিত হবে ইনশাআল্লাহ।

এই লেখা দেখেও ব্যাংক কর্মকর্তারা এসে বলবে, বাইরে থেকে অনেক কথায় বলা যায়, ভেতরের ‘বাস্তবতা’ ভিন্ন। তাদের বলি, ভেতরে থেকে অনেক কথায় বলা যায়, উচ্চ বেতন-ভাতা নেওয়া আড়ম্বর জীবনযাপন করে বাহিরের মানুষের ‘কষ্ট’ আপনারা বুঝবেন না। কী অপমান করেছেন, কী ভয়ানক যন্ত্রণা ও ব্যাথা দিয়েছে, সেটা আপনারা বুঝবেন না।

‘বাস্তবতা’ যখন উল্টে যাবে, তখন যেন আপনাদের ভোল না পাল্টে, আশা করি এতটুকু সুশিক্ষা আপনাদের আছে।

(একটা ব্যাপারে নিশ্চিত থাকুন, ইসলামী ব্যাংকের সাথে সংশ্লিষ্টরা ব্যাংকের ক্রাইসিসকে হেসে উড়িয়ে দিবে। আর ভেতরে ভেতরে আগুন লাগা ঘরে ‘আলু পুড়ে খাওয়ার’ আয়োজন করবে।)

লেখাঃ- নুর মোহাম্মদ আবু তাহের

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..



সর্বশেষ খবর