1. admin@janasongjog.com : admin :
  2. jeffereybillson1051@1secmail.org : kpuklaudia :
  3. agrant807@yahoo.com : latoshalvz :
  4. margarite@i.shavers.skin : lucillerodger :
  5. bookcafebd21@gmail.com : Sazzadur : Sazzadur
  6. test15983366@mailbox.imailfree.cc : test15983366 :
  7. test41245078@inbox.imailfree.cc : test41245078 :
  8. ariannekeeling@1secmail.org : thaliacedillo46 :
  9. zakirmin976@gmail.com : Zakir_min :
আদিতমারী উপজেলা আ.লীগের সম্মেলনে হতে পারে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ। আশঙ্কা করছেন আ.লীগ নেতারা | জনসংযোগ
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

আদিতমারী উপজেলা আ.লীগের সম্মেলনে হতে পারে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ। আশঙ্কা করছেন আ.লীগ নেতারা

  • প্রকাশের সময় শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে
20221007 173257 scaled
print news

মোঃ রয়িসুল সরকার রোমন,স্টাফ রিপোর্টার

দীর্ঘ ১০ বছর পরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। দলটির গ্রুপিংয়ের কারনে সংঘর্ষের শ্বঙ্কায় এলাকা জুড়ে চাপা আতংক বিরাজ করছে।

জানা গেছে, বিগত ২০১২ সালে সর্বশেষ আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে সভাপতি ছিলেন কমলাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান প্রায়ত শওকত আলী এবং সম্পাদক সাপ্টিবাড়ি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল আলম। সভাপতির মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিয়েই চলছে সাংগঠনিক কার্যক্রম। দীর্ঘ ১০ বছর পরে আগামী ৮ অক্টোবর সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করে ক্ষমতাশীন এ দলটি।

বিগত বিভিন্ন নির্বাচনে মনোনায়ন এবং দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় থেকেও পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে অন্তদ্বন্দ্ব তৈরি হয়। উপজেলা সভাপতি শওকত আলীর মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব নিয়েও নিজেদের মাঝে বিভেদ তৈরি হয়। এই বিভেদের কারনে দীর্ঘ দিনেও সম্মেলন হয়নি উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের। ফলে যুগেরও অধিক সময়ের পুরাতন যুবলীগ আর ছাত্রলীগও চলছে কয়েক বছর পুরনো কমিটিতে।

দিন যত যাচ্ছে ক্ষমতাশীন এ দলটির অন্তদ্বন্দ্ব প্রকাট আকার ধারন করছে। নব্যদের দলে অনুপ্রবেশের ফলে দুর্দিনের ত্যাগীরা বঞ্চিত হয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছে। ফলে অন্তদ্বন্দ্বের কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। যার একটিতে নেতৃত্ব নিচ্ছেন কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সমাজকল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি। অপর গ্রুপে নেতৃত্ব দিচ্ছে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাবেক এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সিরাজুল হক।

লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলা ও দুইটি পৌরসভায় ৩টি সংসদীয় আসন রয়েছে। ৫টি উপজেলার মধ্যে পুরাতন ইউনিয়ন কমিটি দিয়ে শুধু মাত্র কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন হয়। এরপর আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করতে এ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয় দলটি।

সমাজকল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির নেতৃত্বে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে চরম আতংক আর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে ৬টিতে সম্মেলন করা সম্ভব হয়। দুইটি ইউনিয়নের পুরাতন কমিটি দিয়েই ৮ অক্টোবর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করে দলটি।

সমাজকল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এমপির উপস্থিতিতে গত সপ্তাহে ৬টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রায় প্রতিটিতে চাপা আতংকের মাঝে সম্পন্ন হয়। প্রতিটি ইউনিয়ন সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেও বিশৃঙ্খলা এড়াতে পারেনি। সর্বশেষ উপজেলা সদরের ভাদাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ইট পাথর ছুড়লে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত সম্মেলন মঞ্চ ত্যাগ করে আদিতমারী জিএস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অফিস কক্ষে চলে যান সমাজকল্যান মন্ত্রীসহ অতিথিরা। দীর্ঘক্ষন সেই অফিস কক্ষে অনেকটা অবরুদ্ধ থাকেন তারা। আতংক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম আরো অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে কঠোর নিরাপত্তায় অতিথিদের উদ্ধার করেন। সেই থেকে দুই গ্রুপের মাঝে উত্তেজনা আরো চরম পর্যয়ে পৌছে। জনমনে আতংক বেড়ে যায়।

ইউনিয়ন সম্মেলনের হট্রগোল আর উত্তেজেনার কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে আরা বড় ধরনের সংঘাত সংঘর্ষের আশংকায় চরম আতংকিত স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা বলেন, ইউনিয়নগুলোতে বর্ধিত সভা করে উপজেলা সম্মেলনের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করে ইউনিয়ন সম্মেলন করা হয়েছে। কোন কোন ইউনিয়নের সম্মেলনে সেই ইউনিয়নের সভাপতি বা সম্পাদককেও বলা হয়নি। সব দলে গ্রুপিং থাকে। এখানে একটি গ্রুপ সম্মেলন করে অপর গ্রুপের সিনিয়র নেতাকেও দাওয়াত দেয়া হয় না। সদস্য পদ নেই এমন নব্যদেরকেও দলের গুরুত্বপুর্ন পদ দেয়া হচ্ছে। এটা ত্যাগীরা মানতে নারাজ। এখনও সময় আছে উপজেলা সম্মেলনে দুই গ্রুপকে একত্রিত করে দুই গ্রুপ থেকেই উপজেলা কমিটি করা হোক। তবেই আতংক কেটে যাবে।

একটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে, দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব নিরসন না করে সম্মেলন করলে সংঘাতের সম্ভবনা রয়েছে। সেই আশংকা রেখেই অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। তবে গোয়েন্দা সংস্থাটির দাবি, সম্মেলনের আগেই কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে অন্তদ্বন্দ্ব নিরসন করতে হবে। নয়তো বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা থাকবেই।

লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, বিগত ইউনিয়ন সম্মেলনগুলোতে দুই গ্রুপের যে অন্তদ্বন্দ্ব আমরা দেখেছি। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা সম্মেলনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে আমরা সকল ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। যেকোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদা প্রস্তুত রয়েছি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..



সর্বশেষ খবর