1. admin@janasongjog.com : admin :
  2. kimbhary@sengined.com : kimbhary :
  3. jeffereybillson1051@1secmail.org : kpuklaudia :
  4. agrant807@yahoo.com : latoshalvz :
  5. margarite@i.shavers.skin : lucillerodger :
  6. bookcafebd21@gmail.com : Sazzadur : Sazzadur
  7. test15983366@mailbox.imailfree.cc : test15983366 :
  8. test41245078@inbox.imailfree.cc : test41245078 :
  9. ariannekeeling@1secmail.org : thaliacedillo46 :
  10. zakirmin976@gmail.com : Zakir_min :
দাম্পত্য জীবনে অন্তরঙ্গতা তৈরির কৌশল | জনসংযোগ
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

দাম্পত্য জীবনে অন্তরঙ্গতা তৈরির কৌশল

  • প্রকাশের সময় সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
FB IMG 1667240257147
print news

স্বামীকে সম্মান করার মানে হলো আপনার স্বামী ভুল পথে গাড়ি বের করলে তাকে পথনির্দেশনা দিতে শুরু না-করা। এমনকি তিনি ভুল দিকে যেতে যেতে শহর পেরিয়ে গেলেও আপনি তার কাজকে সংশোধন করবেন না। মোটকথা, স্বামী যেটাই করুক-না কেন, আপনি তাকে কোনো কিছুই ‘শেখাতে’ যাবেন না, উন্নত করার চেষ্টা করবেন না অথবা সংশোধন করতে যাবেন না। এটাই একজন আত্মসমর্পণকারী স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য।

স্বামীকে সম্মান করা মানে তাকে ছোট করে তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে না ফেলা। ছোটোখাটো বিষয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা মানে হলো আপনি তাকে অপমান করছেন। এমনকি তার সঙ্গে আপনি এটাও বলছেন—‘আরে এত সহজ কাজটাও করতে পারো না?’ নিজের অজান্তেই এই ধরনের কথাবার্তা আপনাদের সম্পর্কের অন্তরঙ্গতা নষ্ট করে দেয়।

সম্মান অন্তরঙ্গতা তৈরি করে:

তা হলে আমাদের বুঝতে হবে সম্মানের সঙ্গে অন্তরঙ্গতার সম্পর্ক কী।

আপনার স্বামী যখন তার প্রতি আপনার মনোভাবের ব্যাপারে নির্ভয় থাকবেন, তখন তার মনের কথা আপনার কাছে বলার জন্য দ্বিতীয়বার আর ভাবতে হবে না তাকে। কারণ তিনি আপনার কাছ থেকে কোনো আক্রমণের আশঙ্কায় নেই। তিনি কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়া নিজেকে আপনার কাছে খুব সহজভাবেই মেলে ধরতে পারবেন।

সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো—তিনি যখন বুঝতে পারবেন, আপনি তার দুর্বল জায়গায় আঘাত করার জন্য ওত পেতে নেই, তখন তিনিও আড়ষ্টতা ঝেড়ে ফেলতে পারবেন। আপনার স্বামীর ভিতরে যখন এই নিশ্চয়তা থাকবে, তখন তিনি তার মনের সব কথাই আপনার কাছে সহজেই বলে ফেলবেন, নিজেকে সম্পূর্ণভাবে মেলে ধরবেন। আর ঠিক তখনই দেখবেন আপনাদের সম্পর্কের ভিতরে এক গভীর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়ে গেছে। তিনি তখন হয়তো আপনাকে বলবেন সন্তানদের মাঝে কী কী মূল্যবোধ তৈরিতে তিনি আগ্রহী, দুজনে বুড়িয়ে যাওয়ার পর তার কী কী করার পরিকল্পনা, কেমন করে সময় কাটাবেন, অথবা বলতে পারেন তার ছোটবেলার প্রিয় কুকুর হারানোর গল্প, তখন তার কেমন লেগেছিল! এমনকি কুড়েঘরে থাকলে কেমন হয়, চাঁদের দেশে গেলে কেমন হয়, বাড়িটা দোতলা করলে কেমন হয়—এরকম নানান কিসিমের আলাপ জুড়ে দেবেন। এরকম ছোট ছোট স্নিগ্ধ আবেগপ্রবণ কথাবার্তায় গভীর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এসব কথার কোনোটা খুবই অর্থহীন, আবার কোনোটা গুরুগম্ভীর। যেন মনের এই ভাব-ভালোবাসা আবেগটুকু ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনি ছাড়া তার কাছে পৃথিবীতে আর কেউ নেই। আসলে কী নিয়ে কথা হচ্ছে, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনাদের কথা হওয়াটা। এটা আপনাদেরকে একে অপরের সাথে আত্মিকভাবে জুড়ে দেবে।

এখন প্রশ্ন হলো, এসব কথাবার্তা শুরু করবেন কীভাবে? কারণ কদিন যাবৎ আপনার তো স্বামীর সাথে এ-ধরনের কথাবার্তা হয়ই না। শ্রদ্ধাশীল হওয়ার বিদ্যেয় কী করে ঝানু হবেন, যখন আপনি তাকে খোঁচাখুঁচিতেই অভ্যস্ত? আমি যেভাবে করেছি সেভাবেই—আস্তে আস্তে অভ্যাসগুলো পরিবর্তন হয়ে যাবার আগ পর্যন্ত ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতে থাকা। এ-বইটা পড়তে শুরু করার মাধ্যমে আপনি ইতোমধ্যেই সচেতন হওয়া শুরু করে দিয়েছেন। সুতরাং শুরুটাই হয়েছে দারুণভাবে। এই অধ্যায়ের পরের অংশে আমি বুঝিয়ে দেবো অশ্রদ্ধা দেখতে কেমন। তাহলে নিজের মধ্যকার অশ্রদ্ধাশীল আচরণগুলো চিহ্নিত করতে পারবেন। পারবেন স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার লক্ষ্যে অবিচল থাকতে। এভাবেই আমি খুঁজে পেয়েছি আমাদের সম্পর্কে কাঙ্ক্ষিত অন্তরঙ্গতা।

বই : সারেন্ডার্ড ওয়াইফ
লেখিকা : লরা ডয়েল

সিয়ান | বিশুদ্ধ জ্ঞান | বিশ্বমান

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..



সর্বশেষ খবর