1. admin@janasongjog.com : জনসংযোগ ডেস্ক :
  2. harwin@sengined.com : harwin :
  3. kimbhary@sengined.com : kimbhary :
  4. jeffereybillson1051@1secmail.org : kpuklaudia :
  5. lyssa@g.makeup.blue : lachlanmilligan :
  6. agrant807@yahoo.com : latoshalvz :
  7. margarite@i.shavers.skin : lucillerodger :
  8. malinde@b.roofvent.xyz : reneebrotherton :
  9. bookcafebd21@gmail.com : Sazzadur : Sazzadur
  10. test15983366@mailbox.imailfree.cc : test15983366 :
  11. test18127693@mailbox.imailfree.cc : test18127693 :
  12. test26756731@email.imailfree.cc : test26756731 :
  13. test34593328@email.imailfree.cc : test34593328 :
  14. test38309499@mailbox.imailfree.cc : test38309499 :
  15. test41245078@inbox.imailfree.cc : test41245078 :
  16. test42396905@mailbox.imailfree.cc : test42396905 :
  17. ariannekeeling@1secmail.org : thaliacedillo46 :
  18. zakirmin976@gmail.com : Zakir_min :
হেফজ ব্যবস্থাপনা ও কিছু কথা | জনসংযোগ
বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

হেফজ ব্যবস্থাপনা ও কিছু কথা

  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে
FB IMG 1665050280378
print news

আল্লাহর দেয়া সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ কিতাব আল কুরআনুল কারীম হেফজকারীগণ ও সংশ্লিষ্টরা বিশেষভাবে সম্মানিত। এই খিদমাত আঞ্জাম দেয়া হাফিজিয়া মাদরাসার পাঠদান ও মুখস্তকরণ পদ্ধতি নিয়ে বেশ আলোচনা ও সমালোচনা লক্ষ করছি। এই প্রেক্ষাপটে আমার কিছু ভাবনা তুলে ধরছি।

আমি ব্যক্তিগতভাবে সম্পূর্ণ কুরআনের হাফেজ না হওয়ায় অনেক মনোকষ্টে ভূগি। দাখিল আলিম থেকে অনার্স এরপর উচ্চতর পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়া ও কুয়েতের বিশ্ববিদ্যালয়, সবখানেই আমার এই মনবেদনা বহন করেছি৷ মালয়েশিয়া ও কুয়েতে অধ্যয়নের সময় দেখেছি মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকান সহপাঠী বন্ধুরা সকলেই এবং অন্যান্য দেশের বন্ধুদের অধিকাংশই হাফিজে কুরআন। আগ্রহ বশত তাদের দেশের হেফজের পদ্ধতি নিয়ে কথা বলে জানার চেষ্টা করেছি সেখানের হিফজুল কুরআনের পদ্ধতি সম্পর্কে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত হেফজের সকল পদ্ধতিকে ৩টি মৌলিক পদ্ধতিতে শ্রেণিভুক্ত করা যায়।

১. সম্পূর্ণ আবাসিক পদ্ধতি :
এ পদ্ধতিতে হিফজুল কুরআনে প্রয়াসী ছাত্রদের সম্পূর্ণ আবাসিক ব্যবস্থাপনায় রেখে শুধুমাত্র এর পিছনেই তাদের মেধা কাজে লাগানো হয়। ভারত উপমহাদেশ ও আফ্রিকার কিছু রাষ্ট্রে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। আমরা আবহমান কাল ধরে এ ব্যবস্থার সাথে পরিচিত। কুরআন শিক্ষার জন্য আহলে সুফফার সার্বক্ষণিক মসজিদে নববীতে অবস্থানের ওপর কিয়াস করে এ পদ্ধতি চালু হয়েছে বলে মনে করা হয়।

২. মসজিদ ভিত্তিক পদ্ধতি :
সাধারণত যুহর/আসর থেকে মাগরিব /ঈশা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চালু থাকে। শিক্ষার্থীরা সকালে অন্য প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে এবং বিকালে এখানে এসে হিফজুল কুরআনে প্রয়াসী হয়। মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রে এ ব্যবস্থার আধিক্য দেখা দেয়। তবে বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে এ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। আমরা আরব স্কলারদের জীবনী পড়লে তাদের হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করার স্থানে মাদরাসার নামের পরিবর্তে জামে মসজিদের নাম দেখি। কারণ তারা ঐসব মসজিদ থেকে হেফজ সম্পন্ন করেছেন।

৩. স্কুল / মাদ্রাসা ভিত্তিক পদ্ধতি :
স্কুল বা মাদরাসার সাধারণ পাঠক্রমের সাথে হিফজুল কুরআনকে একীভূত করে একটি পর্যায়ের মধ্যে হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করানো হয়। এ আধুনিক পদ্ধতিটি বিশ্বের সব দেশেই কম বেশি রয়েছে। বাংলাদেশে কিছু মাদরাসার পাশাপাশি বর্তমানে কিছু স্কুল এমনকি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলও এ পদ্ধতি চালু করেছে।

হেফজুল কোরআনের প্রচলিত তিনটি পদ্ধতিতে প্রতিবছর হাজার হাজার হাফেজ হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ্। প্রতিটি পদ্ধতি কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং এককভাবে কোনো পদ্ধতিকে অকার্যকর বললে বিষয়টি গ্রহণযোগ্য হবে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটের আলোকে প্রতিটি পদ্ধতি দৃশ্যমান গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে আরো সুন্দর ও গোছানো ব্যবস্থাপনার জন্য সংস্কার বা আধুনিকীকরণের প্রস্তাবনা পেশ করা যেতে পারে৷

যে বা যারা আবহমানকাল ধরে চলে আসা হেফজখানা পদ্ধতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন তাদের উচিত হবে সংস্কারের জন্য যুক্তিপূর্ণ, বিজ্ঞানসম্মত ও বাস্তবমুখি পদ্ধতির প্রস্তাব পেশ করা। বিশেষ করে যারা পাবলিক ফিগার, প্রাজ্ঞ, আন্তরিক ও সময় সচেতন তারা এ বিষয়ে অগ্রণি ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

আমাদের দেশে প্রচলিত যে পদ্ধতি রয়েছে তা কারো কাছে অসম্মত মনে হলে তিনি বিকল্প হিসেবে অন্য দুটির যে কোনো একটি বা নতুন কোনো পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন। অবশ্য এ ক্ষেত্রে মসজিদভিত্তিক হেফজ ব্যবস্থা বেশি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। বাংলাদেশে এ পদ্ধতিটি নেই বললেই চলে। এখানে এই পদ্ধতিটি এগিয়ে নেয়া যায়। এ দেশে হাজার হাজার মসজিদ রয়েছে। এসব মসজিদে যদি হেফজের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে সহশিক্ষার পাশাপাশি প্রতি বছর হাজার হাজার হাফেজ মসজিদভিত্তিক হেফজখানা থেকে বের হতে পারে। বিশেষ করে যারা কিছু অংশ হেফজ করতে চায় যেমন ৫/১০ পারা তাদের জন্য এ ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা হলো মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন যদি হাফেজ হন তবে শিক্ষক হিসেবে তাদের কাজে লাগানো সহজ হবে।

সর্বশেষ অনুরোধ, আমরা যেনো কোনো ব্যবস্থাকে সরাসরি অকার্যকর না বলি বরং তার সমস্যা ও অন্তরায়সমূহ আগে চিহ্নিত করি এবং সমাধানের করণীয় নির্ধারণ করি। প্রয়োজনে যুগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন কোনো পদ্ধতি আবিষ্কার বা নতুন কোনো পদ্ধতি প্রণয়নের মাধ্যমে পুরাতন পদ্ধতির সংস্কার করা যেতে পারে।

ব্যক্তিগতভাবে আমি এখানে দ্বিতীয় যে পদ্ধতি উল্লেখ করেছি এটাকে সমর্থন জানাই। তার অর্থ এই নয় যে বহুল প্রচলিত প্রথম পদ্ধতিটি অকার্যকর। তবে, আমি মনে করি এ দেশে দ্বিতীয় পদ্ধতিটি চালু করা গেলে হেফজের প্রসার আরো বৃদ্ধি পাবে এবং আরও একটি সফল হিফজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
আল্লাহ তাআলা তার কিতাবকে ধারণ ও সে অনুযায়ী আমাদের জীবন পরিচালনা করার তৌফিক দান করুন আমিন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

এ জাতীয় আরো খবর..



সর্বশেষ খবর