বৃষ্টিতে গাবতলী পশুর হাটে জলাবদ্ধতা, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটের একাংশে কাদাপানি ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আজ মঙ্গলবার সকালে গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে কাজ করছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী হাটের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

সকালের বৃষ্টির পর হাটের বেশ কয়েকটি অংশ কাদাপানি ও জমে থাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে পশু ব্যবসায়ী, পরিবহন কর্মী ও ক্রেতাদের চলাচল করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হাটের নিচু এলাকাগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাটের বিভিন্ন স্থানে বালু, ইটের খোয়া ও রাবিশ ছিটিয়ে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

বৃষ্টিতে সাময়িক সমস্যা হওয়ার কথা স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাটে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি জানান, যেখানেই কাদা জমছে, সেখানেই বালু বা ইটের খোয়া দিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে হাটের পরিবেশ সন্তোষজনক উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, পশু বিক্রির ওপর সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ হাসিল বা টোল আদায়ের বিষয়টি রসিদের মাধ্যমে সঠিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, হাটে জালিয়াতি ও জাল নোটের কারবার ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের জন্য পুলিশ, র‍্যাব, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ঈদের এই মৌসুমে পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবসায়ী, ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

Related Articles

Latest Posts