রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দিয়েছে পুলিশ।
আজ রোববার বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে হাজতখানার ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন মোল্লা ডেইলি স্টারকে বলেন, মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আজ সকালে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।
এদিকে গতকাল এই চাঞ্চল্যকর মামলাটি পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (স্পেশাল পিপি) হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।
অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে গত শুক্রবার ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে আসামিদের কোনো আইনি সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের একদিন পর নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রতিবেশী সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন।
প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বুধবার অভিযুক্ত সোহেল রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।
