১৭ মাস ভারতের জেলে সাজা খেটে দেশে ফিরলেন ৩৬ যুবক

ভারতের একটি কারাগারে ১৭ মাস সাজা ভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৩৬ জন বাংলাদেশি যুবক দেশে ফিরেছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। আজ তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, ‘ভালো বেতনের আশায় দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে তারা চেন্নাইয়ের গার্মেন্টস কারখানায় কাজের জন্য গিয়েছিলেন। পরে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।’

‘ভারতের একটি আদালত তাদের ১৭ মাসের কারাদণ্ড দেয় এবং চেন্নাই সেন্ট্রাল জেলে পাঠায়। সাজা শেষে তাদের একটি মানবাধিকার সংস্থার পরিচালিত শেল্টার হোমে রাখা হয়।’

‘দুই দেশের দূতাবাসের সহায়তা এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা অবশেষে দেশে ফিরতে সক্ষম হন,’ যোগ করেন ওই কর্মকর্তা।

ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে এবং পরিবারের কাছে ফেরার ব্যবস্থা করে।

কর্মকর্তাদের মতে, ফিরে আসা এসব যুবক বগুড়া, খুলনা, নাটোর, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা যুবক আবুল কালাম বলেন, ‘আমি ভালো চাকরির আশায় দালালের মাধ্যমে ভারতে গিয়েছিলাম। সেখানকার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’

জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ফিল্ড অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গার্মেন্টস কারখানায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দালাল চক্র তাদের ভারতে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরে তারা প্রতারণার শিকার হয়। শুক্রবার তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

Related Articles

Latest Posts