বরিশালের ভোলায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোরালিয়া গ্রামে জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর দেড়টায় মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার ভোলায় পৌঁছায়। সেসময় তোফায়েল আহমেদকে শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় করে হাজারো মানুষ।
পরে জানাজার জন্য তার মরদেহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজায় অংশ নেয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। কোরালিয়া গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে আরেকটি জানাজা শেষে বাড়ির আঙ্গিনায় মায়ের কবরের পাশে তোফায়েল আহমেদকে দাফন করা হয়।
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। স্ট্রোকের পর কয়েক বছর ধরে তিনি হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া তোফায়েল আহমেদ ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ও মুজিব বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
স্বাধীনতার পর তিনি আটবার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিন দফা মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।
তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
