ধর্ষণ ও হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার, বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং বামপন্থি তাত্ত্বিক, ইতিহাসবিদ ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমরসহ বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে জাতীয় সংসদে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে আজ রোববার। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশনের প্রথম দিন স্পিকারের প্রস্তাবের পর দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়। তাদের সম্মানে সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
যাদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব
অধিবেশনে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শফিক আহমেদ, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন এবং দশম সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিনের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব করা হয়।
এ ছাড়া বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা, অধ্যাপক এম এ মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদিন, জি এম ফজলুল হক, জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক, গোলাম সারোয়ার মিলন এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সংসদ সদস্য মো. শামসুদ্দোহার মৃত্যুতে সংসদ শোক প্রকাশ করে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী অধ্যাপক দিলারা হাফিজের মৃত্যুতেও সংসদে শোক জানানো হয়।
এ ছাড়া জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন, বরেণ্য সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, বামপন্থি নেতা ও লেখক বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশিন, বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আবদুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেসা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, বৌদ্ধ ভিক্ষু ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো এবং সাংবাদিক গাজী রুহুল আমিনের মৃত্যুতে শোক জানানো হয়।
একই সঙ্গে মিরপুরের রামিসা, নরসিংদীর ফাহিমা মিম ও আমিনা এবং তাবাসসুম আক্তারের মৃত্যুতেও শোক প্রকাশ করে সংসদ। এই চার শিশু ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে।
