আগে চুক্তি, পরে ইরানের জব্দ সম্পদ নিয়ে আলোচনা: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কয়েকটি মিত্র দেশের নেতৃত্বে আরোপিত অর্থনৈতিক বিধিনিষেধের কারণে ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জব্দ অবস্থায় রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের জব্দ সম্পদ অবমুক্ত করার আগে কোনো চুক্তি হতে হবে। তিনি ইঙ্গিত দেন, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরই এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

আজ রোববার বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।  

এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয় সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে তিনি ইরানের সম্পদ ছাড় বা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে রাজি কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না।’

ওই সাক্ষাৎকার আজ রোববার সম্প্রচার করা হয়। 

তিনি বলেন, ‘ওটা পরে হবে। তারা যদি ভালো আচরণ করে, ভালো কাজ করে, তাহলে আমরা আলোচনা শুরু করব।’

ইরান দীর্ঘদিন ধরে জব্দ হয়ে থাকা শত বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এপ্রিলে জানায়, জব্দ সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১২ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা) বা তারও বেশি।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে ওই সম্পদের একটি অংশ ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়।

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান তার জানা আছে এবং তিনি যেকোনো উপায়ে তা নিয়ন্ত্রণে নিতে চান। তবে এ কাজে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।

তিনি বলেন, ‘যদি আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি, তাহলে আমরা সবাই মিলে ওই ইউরেনিয়াম নিয়ে আসব এবং তা ধ্বংস করে দেব।’

Related Articles

Latest Posts