রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর: আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার ও সহসাধারণ সম্পাদক সালমান সাব্বিরসহ নয়জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলার আবেদন করা হয়েছে।

তবে আদালত মামলাটি আমলে না নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।  

আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর মতিহার কগনিজেন্স আদালতে আবেদনটি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাবা আসাদ উজ জামান।

অভিযুক্ত বাকিরা হলেন—নজমুস সাকিব, মেহেদী সঞ্জীব, ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত আর সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৭ থেকে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে ছুরি, লোহার রড, বেল্ট ও বাঁশের লাঠি নিয়ে অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ভেতর ও বাইরে মাহিনকে ধাওয়া করে ঘিরে ফেলে। পরে আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। সাব্বিরও তার মাথায় আঘাত করলে বাম চোখে জখম হয়। অন্য অভিযুক্তরা মাহিনের বুক, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করেন।

এতে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের চারজন মাহিনকে মাটিতে ফেলে তার বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে মাহিনকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা গাড়ি থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করেন। পরে মাহিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

জানতে চাইলে বাদী আসাদ উজ জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘২৭ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটনার কথা জানতে পারি। পরে হাসপাতালে গিয়ে দেখি, আমার ছেলে চিকিৎসাধীন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওইদিন মতিহার থানায় গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে তিনি আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাওয়ার পরামর্শ দেন।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী হযরত আলী ডেইলি স্টারকে বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নেননি, তদন্তের জন্য পিবিআইর কাছে পাঠিয়েছেন।

তিনি বলেন, অন্য একটি মামলায় মাহিন বর্তমানে কারাগারে।

 

Related Articles

Latest Posts