এক ম্যাচে যেন দুই দুঃসংবাদ। দীর্ঘ বিরতির পর একাদশে ফিরলেন লিওনেল মেসি, কিন্তু ফিরেই আবার পেনাল্টি মিস করলেন। সেই সঙ্গে ইন্টার মায়ামিও ভুগল বড় হারে। ন্যাশভিল এসসির কাছে ৪-১ গোলে হেরে টানা তৃতীয় পরাজয় দেখল মেসির দল।
মায়ামির জন্য রাতটি আরও হতাশার হয়ে ওঠে মেসির পেনাল্টি মিসে। ২৩ মিনিটে অ্যান্ডি নাহার ন্যাশভিলকে এগিয়ে দেওয়ার পর সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। পেনাল্টি থেকে মেসির নিচু শট অবশ্য ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিল গোলরক্ষক ব্রায়ান শভাকে। ফিরতি বলে সার্জিও রেগিলনের জালে বল পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়, কারণ পেনাল্টির সময় বক্সে অনুপ্রবেশ হয়েছিল।
এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে পেনাল্টি থেকে ব্যর্থ হলেন মেসি। ইএসপিএন রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের পর এবারই প্রথম টানা তিনটি পেনাল্টি মিস করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। চলতি গ্রীষ্মের বিশ্বকাপেও অস্ট্রিয়া ও মিশরের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি তিনি।
তবে মেসির রাতটা পুরোপুরি হতাশায় কাটেনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে তার দারুণ প্রচেষ্টায় সমতায় ফেরে মায়ামি। মেসির পাস পেয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে টেলাসকো সেগোভিয়া বল জালে পাঠান। ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ন্যাশভিল। হ্যানি মুখতার ও স্যাম সারিজের গোলে দ্রুতই ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। শেষদিকে মুখতার নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলে মায়ামির কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে যায়।
ম্যাচের শেষদিকে মেসির হতাশাও আরও বাড়ে। ন্যাশভিলের তৃতীয় গোলের আগে ফাউলের আবেদন করে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। এরপর একবার তার শট দুই পোস্টের মাঝখানে লেগে ফিরে আসে। পরে অফসাইডের কারণে তার আরেকটি গোলও বাতিল হয়।
বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর দুই ম্যাচ বাইরে থাকার পর এই ম্যাচ দিয়েই মায়ামির একাদশে ফিরেছিলেন মেসি। কিন্তু তার প্রত্যাবর্তন দলকে জয়ের পথে ফেরাতে পারল না। বরং ন্যাশভিলের কাছে বড় হার দিয়ে টানা তিন ম্যাচ হারের হতাশায় ডুবল মায়ামি।
আগামী বুধবার ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মাঠে নামবে মায়ামি।
