নেপালের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পেছনের কারণ স্পষ্ট করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্প নয়, বরং হিমবাহধস থেকেই এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার ইউএসজিএসের ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতি থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের কারণেই নেপালে আকস্মিক বন্যা শুরু হয়।
দীর্ঘস্থায়ী ভূকম্পন তরঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হিমবাহধস ও পানিতে ভেসে আসা ধ্বংসাবশেষের কারণে কম্পনের সৃষ্টি হয়।
বুধবার তিব্বত থেকে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যায় নেপালের রাসুয়া ও ধাদিং জেলায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদন মতে, এই দুর্যোগে অন্তত ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো প্রায় এক হাজার ৩০০ ব্যক্তি নিখোঁজ আছেন।
নেপালের এই বিপর্যয় নিয়ে দেওয়া বার্তার একটি হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করেছে ইউএসজিএস।
সেখানে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে জানানো হয়েছিল। তবে আশপাশের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের তথ্য, দীর্ঘ সময়ের ভূকম্পন তরঙ্গ ও স্যাটেলাইট চিত্রের আরও বিশদ বিশ্লেষণের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি আসলে হিমবাহধস ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতের ঘটনা ছিল। কোনো ভূমিকম্প হয়নি।’
সংস্থাটি ভূকম্পনজনিত ওই ঘটনার মাত্রাও আগে উল্লেখিত ৪ দশমিক ৪ থেকে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ২ করেছে।
‘ইউএসজিএসের মূল্যায়নে দেখা গেছে, হিমবাহধস ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতের কারণে ভূকম্পন দেখা দেয়। পরে এটি ভাটি অঞ্চলে বিপর্যয়কর প্রভাব সৃষ্টি করে,’ জানিয়েছে সংস্থাটি।
