মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে সম্প্রতি টানা চার ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্টের অনন্য রেকর্ড গড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ১৬ বছর বয়সী আমেরিকান বিস্ময় বালক কাভান সুলিভান। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারকে নিয়ে যখন আন্তর্জাতিক ফুটবলে জোর চর্চা চলছে, ঠিক তখনই আবারও সামনে এলো তার পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্কের বিষয়টি।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া অবিরাম ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রসঙ্গে আসে। তা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পারিবারিক সূত্রে বাংলাদেশি সংযোগ থাকা এই উঠতি তারকা।
অনলাইনে ও গ্যালারিতে বাংলাদেশি ভক্তদের ভালোবাসার প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে কাভান বলেন, ‘ভালোবাসাটা কেবল ইদানীং পাচ্ছি তা নয়, বেশ কিছুদিন ধরেই এটা পেয়ে আসছি। আগেও যেমনটি বলেছি—পরিবার হিসেবে আমরা বাংলাদেশকে খুব ভালোবাসি। ওখানকার মানুষদের ভালোবাসা আমরা সব সময় কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি।’
কাভান সুলিভানের দুই যমজ ভাই রোনান সুলিভান ও ডেকল্যান সুলিভান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের হয়ে খেলে বয়সভিত্তিক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করেন। ভারতের বিপক্ষে ফাইনালের টাইব্রেকারে রোনানের পানেনকা পেনাল্টি গোল এবং দুই ভাইয়ের নৈপুণ্যে ভর করেই বাংলাদেশ সেই ঐতিহাসিক ট্রফি ঘরে তোলে।
ভাইদের সেই স্মরণীয় সাফল্য ও আবারও বাংলাদেশে খেলতে যাওয়া নিয়ে কাভান বলেন, ‘আমার ভাইয়েরা যখন ওখানে যায়, ব্যাপারটা খুব দারুণ লাগে। আশা করি তারা আবারও সেখানে ফিরে যেতে পারবে, কয়েকটি ম্যাচ খেলবে এবং আরও একটি টুর্নামেন্ট জিতবে।’
বাংলাদেশকে শিরোপা জেতানো দুই ভাইয়ের পথচলা নিয়ে উচ্ছ্বসিত কাভান যোগ করেন, ‘ওরা যা কিছু করছে, তা নিয়ে আমরা সত্যিই খুব গর্বিত।’
নিজের পরিবারের সীমানা ছাড়িয়ে বাংলাদেশ জুনিয়র ফুটবল দলের খবরও নিয়মিত রাখেন মার্কিন ফুটবলের এই ভবিষ্যৎ তারকা। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জানি যে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ দল এখন একটি টুর্নামেন্ট খেলছে। তাদের জন্য অনেক শুভকামনা রইল।’
চলমান বয়সভিত্তিক আসরে অবশ্য কাভানের দুই ভাই ব্যক্তিগত অংশ নিতে পারেননি। জানা গেছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি পাননি তারা।
