রান্নাঘরে মজুত ককটেল বিস্ফোরণে দগ্ধ নারীর মৃত্যু

শরীয়তপুরের জাজিরায় বাড়ির রান্নাঘরে মজুত করে রাখা ককটেল বিস্ফোরণে আহত নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

মৃত রোকেয়া বেগম (৪৫) ওই বাড়ির মালিক ফারুক ছৈয়ালের স্ত্রী।

আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বনশ্রী এলাকার ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির হিসাব ব্যবস্থাপক হিমেল আহমেদ।

গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার মূলনা ইউনিয়নসংলগ্ন সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দ্য ডেইলি স্টারকে হিমেল জানান, আজ সকালে রোকেয়া বেগম আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তার স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে যান।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত গৃহবধূ রোকেয়া বেগম ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন বলে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো কাগজপত্র আমাদের হাতে পৌঁছায়নি।

‘বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি,’ বলেন ওসি।

ওসি জানান, এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রান্নাঘরে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারি সেখানে বিপুল পরিমাণ ককটেল মজুত ছিল। বিস্ফোরণে রান্নাঘরের চালা উড়ে যায়। আরও দুটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সালেহ্ আহমেদ বলেন, ‘ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং কারা সেখানে ককটেলগুলো মজুত করে রেখেছিল—সে বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।’

এর আগে, গত ১০ আগস্ট সন্ধ্যায় একই উপজেলার মুলনা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় অন্তত শতাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। পরে ককটেল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত মান্নান সরদার (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

Related Articles

Latest Posts