জার্মানির একটি বিমানবন্দরে মেক্সিকান এক যাত্রীর লাগেজ থেকে ৯০টি গিরগিটি ও বিষধর সাপ উদ্ধার করেছেন শুল্ক কর্মকর্তারা।
আজ বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
গত মাসে পশ্চিম জার্মানির কোলন বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।
শহরটির শুল্ক দপ্তর জানায়, অস্বাভাবিক আচরণের কারণে ৪৫ বছর বয়সী ওই যাত্রীকে আটকানো হয়।
পরে ডোপ টেস্টে তার কোকেন সেবনের প্রমাণ মেলে।
এরপর কর্মকর্তারা তার স্যুটকেস তল্লাশি করে মাদকদ্রব্যের বদলে প্লাস্টিকের পাত্র, শ্যাম্পু ও ক্রিমের বোতল এবং মোজার মধ্যে লুকানো প্রায় ৯০টি প্রাণী পান। এর মধ্যে ছিল ৩৭টি বিষধর সাপ ও ৫৫টি গিরগিটি।
পেশায় দমকলকর্মী ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
শুল্ক দপ্তরের মুখপাত্র ইয়েন্স আহলান্ড বলেন, ‘আমার সহকর্মীরা বিমানবন্দরে যাত্রীদের স্যুটকেসে নানা ধরনের ভ্রমণস্মারক দেখতে অভ্যস্ত। তবে মেক্সিকো থেকে আনা ৩৭টি বিষধর সাপ ও ৫৫টি গিরগিটি এর আগে তারা কখনো দেখেননি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু মুনাফার লোভে কিছু মানুষ প্রাণীদের সঙ্গে কী আচরণ করে, তা দেখা কষ্টদায়ক।’
প্রাণীগুলোর মধ্যে ছিল—ভাইপার ও র্যাটলস্নেক প্রজাতির সাপ এবং ইগুয়ানা।
জার্মানির শুল্ক দপ্তর এএফপিকে জানিয়েছে, বেশির ভাগ প্রাণীই জীবিত ছিল। তবে যাত্রাপথে ও জার্মানিতে পৌঁছানোর পর প্রায় ৩০টি প্রাণী মারা যায়।
বেঁচে যাওয়া প্রাণীগুলোকে এখন মধ্য জার্মানির একটি সাপের খামারে পরিচর্যা করা হচ্ছে।
ওই যাত্রী মেক্সিকো সিটি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে জার্মানি এসেছিলেন।
তিনি শুল্ক কর্মকর্তাদের জানান, ব্রাজিলের এক পরিচিত ব্যক্তির অনুরোধে তিনি প্রাণীগুলো নিয়ে এসেছিলেন।
জার্মান কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তিকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। পৌঁছানোর পরদিন তাকে ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়।
