ইরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করতে রাজি নয়। দেশটির একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আজ রোববার রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক ইস্যুটি মূলত চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনার জন্য তুলে রাখা হয়েছে এবং সে কারণেই এটি বর্তমান সমঝোতার অন্তর্ভুক্ত নয়।
এ ছাড়া, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের ঐকমত্য হয়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শনিবার জানান, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির বিষয়ে সমঝোতা ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে বলেন, এই আসন্ন সমঝোতার মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ আবার সচল হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর এই প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছিল।
তবে সমঝোতায় আর কী থাকছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, সমঝোতার চূড়ান্ত দিক ও বিস্তারিত বিষয়গুলো নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই তা ঘোষণা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই সমঝোতা একটি পর্যায়ক্রমিক রূপরেখা তৈরি করেছে, যা কয়েক মাসের যুদ্ধের অবসান ঘটাবে।
এর মাধ্যমে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার পথ সুগম হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের বিষয়ে আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা করা হবে। ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরের জন্য ওয়াশিংটন তেহরানকে চাপ দিয়ে আসছিল।
