ইংলিসের সঙ্গে কি নিয়ে নাহিদের এমন উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়?

নাহিদ রানা তার নিজের প্রথম বলটাই করেন অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে, ১৪৮ কিলোমিটার গতির বলটা সরে গিয়ে কাট করে বাউন্ডারিতে পাঠান জশ ইংলিস। পরে আরেকবার চাবক চালানোর মতো কাভার দিয়ে নাহিদকে বাউন্ডারিতে পাঠান তিনি। এই দুই চার হজম করেই বোধহয় তেতে ছিলেন নাহিদ। পেস বোলারদের অহং বলে কথা। ইংলিসকে গতিময় এক ডেলিভারিতে পরাস্ত করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়েই খ্যাপাটে উদযাপন। 

সাধারণত শান্ত স্বভাবের নাহিদকে এমন রূপে দেখা যায় না। ইংলিসকে আউট করে বুনো উল্লাস করে মুখের কাছে গিয়ে কিছু একটা বলেন। অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বেরিয়ে যেতে যেতে এটা শুনে আবার ঘুরে আসেন। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি সামাল দেন বাংলাদেশ দলের বাকিরা। 

ক্রিকেট ম্যাচে এমন স্লেজিং, উত্তেজনা হরহামেশাই চলে। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের কেউ এমন দাপট দেখাচ্ছেন এই ছবি বিরল। সাধারণত অজিরাই স্লেজ করতে ওস্তাদ। নাহিদ যেন ঝাঁজ দেখিয়ে জানান দিলেন সামর্থ্য।

ঘটনার কাছাকাছি থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ম্যাচ এই বিষয় রাখতে চাইলেন একটু আড়াল করে, ‘না ওটা ওরকম কিছুই হয় নাই, কেবল ওটা একটা মানে আমি বলবো  ব্যাটসম্যানের একটা হতাশা ছিল যে আউট হয়ে গেছে। তো সেই জায়গা থেকে ও হতাশাটা… হয়তোবা এটা একটা মিস কমিউনিকেশন ছাড়া আর কিছুই না, নাথিং সিরিয়াস। এটা আমার কাছে মনে হয় মাঠেরটা মাঠেই শেষ।’

মাঠেরটা আপাতত মাঠে শেষ হলেও পরের ম্যাচেও কিংবা গোটা সিরিজ জুড়ে এর রেশ থাকা অস্বাভাবিক না।

Related Articles

Latest Posts