সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য পেয়েছে বাংলাদেশ। সফরকারীদের হয়ে ব্যাট হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ম্যাট রেনশ। ৫২ বলে ৮৯ রান করেন তিনি। ঝোড়ো ৪৫ রানের ইনিংস খেলে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন টিম ডেভিড।
টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ ভালো করেছিল অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক মিচেল মার্শ ও জশ ইংলিস মিলে ৩ ওভার হওয়ার আগেই ৩০ রান তুলে ফেলেছিলেন। তবে এরপর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লের ভেতরেই তিন উইকেট তুলে নেয় টাইগাররা।
তৃতীয় ওভারে নাসুমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইংলিস। পরের ওভারেই নাহিদ রানার বলে সাইফ হাসানের দারুণ ক্যাচে ফেরেন কুপার কনলি। আর পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে মার্শকে সাজঘরে ফেরান মুস্তাফিজুর।
পাওয়ারপ্লে শেষে যখন সফরকারীদের চেপে ধরার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে, তখনই পাল্টা আক্রমণে অসাধারণ এক জুটি করেন রেনশ ও ডেভিড। মিডল ওভারে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রান যোগ করেন এই দুই অজি ব্যাটার। ২ চার ও ৪ ছয়ে ৪৫ রান করে ডেভিড ফিরলেও রেনশ অপরাজিত ছিলেন ইনিংসের শেষ পর্যন্ত। ৫টি ছয় ও ৪টি চারে সাজানো ৮৯ রানের ইনিংসটি এই তরুণ অজি ব্যাটারের সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি স্কোর। মুস্তাফিজুরের শেষ ওভারে ১৮ রান তুলে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থেমেছে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানে।
বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে মিতব্যয়ী ছিলেন এই ম্যাচে দলে ফেরা নাসুম আহমেদ। ৪ ওভার বল করে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন মুস্তাফিজ, নাহিদ রানা ও সাকলায়েন।
