তামিল সুপারস্টার ও বর্তমান তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা জন নায়াগান ঘিরে এখনো সেন্সর জট কাটেনি। তবে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, খুব শিগগিরই হয়তো সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। অভিনয়জীবনের ইতি টানার আগে এটিই বিজয়ের শেষ চলচ্চিত্র। তাই সিনেমাটি ঘিরে ভক্তদের আগ্রহও তুঙ্গে।
সর্বশেষ খবর, সিনেমাটির সেন্সর জটিলতা এখনো কাটেনি। তবে খুব শিগগিরই সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) ছাড়পত্র পেতে যাচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি জুলাই মাসেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে।
প্রযোজনা সূত্রের বরাতে বলিউড লাইফের প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তির জন্য তিনটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যথাক্রমে ১৬ জুলাই, ২৩ জুলাই এবং ৩১ জুলাই।
তবে ৩১ জুলাই মুক্তির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। কারণ ওই দিনই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয়ের পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘সিগমা’। বাবা-ছেলের দুটি বড় সিনেমা একই দিনে মুক্তি দিয়ে বক্সঅফিসে প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চাইছেন না নির্মাতারা।
জুলাইয়ে মুক্তি সম্ভব না হলে ৭ আগস্টও বিকল্প তারিখ হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
প্রথমে পরিকল্পনা ছিল, ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি মুক্তি পাবে ‘জন নায়াগান’। কিন্তু সেন্সর বোর্ডের আপত্তিতে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
সিবিএফসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েকটি দৃশ্য জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আদালতের দ্বারস্থ হলেও পরে তারা মামলা প্রত্যাহার করে পুনর্বিবেচনা কমিটির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকে।
এখনো ঠিক কোন বিষয়টি নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
সেন্সর জটিলতার মধ্যেই আরও বড় ধাক্কা আসে গত ৯ এপ্রিল। নির্বাচনের ঠিক আগে সিনেমাটির একটি এইচডি প্রিন্ট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং এ ঘটনায় জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করে। তবে এই ঘটনাও মুক্তির প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তোলে।
এইচ. বিনোথ পরিচালিত জন নয় গানে শেষবারের মতো প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে বিজয়কে। এরপর তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে মনোযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সিনেমাতে বিজয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে, ববি দেওল, মামিথা বাইজু, গৌতম বাসুদেব মেনন, প্রকাশ রাজ, নারেইন ও প্রিয়ামণি।
সেন্সর ছাড়পত্র হাতে পেলেই দেশ-বিদেশের পরিবেশক ও প্রেক্ষাগৃহগুলোর সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কাজ শুরু করবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেভিএন প্রোডাকশনস।
