বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এবার ব্রাজিলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারেন আর্লিং হালান্ড। গোল করার অসাধারণ দক্ষতার পাশাপাশি বিধ্বংসী গতিও নরওয়ের এই তারকার অন্যতম বড় অস্ত্র। আর ফিফার প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, গতি বিবেচনায় এখন পর্যন্ত হালান্ডের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি কোনো ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৫৩ ম্যাচে ৬০ গোলের দুর্দান্ত পরিসংখ্যান নিয়ে খেলছেন হালান্ড। তবে শুধু গোলই নয়, তার ভয়ংকর গতিও প্রতিপক্ষের জন্য বড় আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বিশ্বকাপে হালান্ডের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৬.৫ কিলোমিটার, যা তিনি ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচে স্পর্শ করেন। এরপর সেনেগালের বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৫.২ কিলোমিটার। ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে খেলেননি। আর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩১.৪ কিলোমিটার।
অন্যদিকে ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির রেকর্ড ডান-ব্যাক দানিলোর। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ঘণ্টায় ৩৪.২ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছেন। অর্থাৎ হালান্ডের সর্বোচ্চ গতির তুলনায় তিনি ঘণ্টায় ২.৩ কিলোমিটার পিছিয়ে। ব্রাজিলের অন্য খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ গতিও তুলনামূলকভাবে কম।
ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের গতি—
• স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দানিলো – ৩৪.২ কিমি/ঘণ্টা
• মরক্কোর বিপক্ষে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র – ৩৪.১ কিমি/ঘণ্টা
• জাপানের বিপক্ষে মারকিনিওস – ৩৩.৮ কিমি/ঘণ্টা
• হাইতির বিপক্ষে রাফিনিয়া – ৩৩.৩ কিমি/ঘণ্টা
অন্যদিকে হালান্ডের গতি—
• ইরাকের বিপক্ষে – ৩৬.৫ কিমি/ঘণ্টা
• সেনেগালের বিপক্ষে – ৩৫.২ কিমি/ঘণ্টা
• আইভরি কোস্টের বিপক্ষে – ৩১.৪ কিমি/ঘণ্টা
• ফ্রান্সের বিপক্ষে খেলেননি।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও নরওয়ে। ম্যাচটির জয়ী দল আগামী ১১ জুলাই মায়ামিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ড অথবা মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলবে।
