লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে এক ফ্র্যাঞ্চাইজির ভারতীয় সহ-মালিককে গ্রেপ্তার করেছে শ্রীলঙ্কা পুলিশ। অভিযোগ, এক খেলোয়াড়কে ঘুষ দিয়ে ম্যাচে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
শুক্রবার কলম্বোর একটি হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। শ্রীলঙ্কা পুলিশের স্পোর্টস ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের কর্মকর্তা সুপুন বিদানাগে জানান, কালরা এক খেলোয়াড়কে ৯৫ লাখ শ্রীলঙ্কান রুপি (প্রায় ২৮ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার) দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময়ই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় ১০ দিন আগে প্রথমবার ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তিনি প্রস্তাবে রাজি না হয়ে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে দেন। তদন্তের স্বার্থে খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
বিদানাগে আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত কালরাকে শিগগিরই আদালতে হাজির করা হবে।
শুক্রবার রাতেই কলম্বোতে জাফনা ও গলের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে এলপিএলের নতুন আসরের পর্দা ওঠার কথা রয়েছে।
এলপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ নতুন নয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই ধরনের অপরাধে এক ব্রিটিশ দল-মালিককে চার বছরের কারাদণ্ড দেন শ্রীলঙ্কার একটি আদালত, যদিও সেই সাজা পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়।
বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া তামিম রহমান, যিনি দাম্বুলা থান্ডার্সের মালিক ছিলেন, এক খেলোয়াড়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং অবৈধ বাজির আয়োজনের অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন। আদালত তাকে ৪ বছরের কারাদণ্ড (৫ বছরের জন্য স্থগিত) এবং ২ কোটি ৪০ লাখ শ্রীলঙ্কান রুপি জরিমানা করেন।
এই রায় শ্রীলঙ্কার ২০১৯ সালে প্রণীত ক্রীড়া দুর্নীতিবিরোধী কঠোর আইনের আওতায় দেওয়া হয়েছিল। এবার নতুন এই ঘটনায় আবারও প্রশ্নের মুখে পড়ল দেশটির জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ।
