কুষ্টিয়া শহরের কোর্ট স্টেশনে ঢাকা থেকে খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের দুই যাত্রীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়েছেন ট্রেনের এক কর্মচারী।
এ সময় যাত্রীদের স্বজন ও স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে দেড় ঘণ্টা আটকে ছিল ওই ট্রেন।
আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
কোর্ট স্টেশনের ইনচার্জ ইতি আরা দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা অফিসের ভেতর ছিলাম। সেখান থেকেই জানতে পারি এক কর্মচারী দুই যাত্রীকে ছুরিকাঘাত করেছেন।’
আহত দুই যাত্রী হলেন—শফিউল্লাহ ও আব্দুর রহিম। তাদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা।
ছুরিকাঘাতের পর তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের আরএমও ইকবাল হাসান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আহত দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত।’
ট্রেনের এক কর্মচারী জানান, দুজন যাত্রী ‘খ’ এসি বগি দিয়ে ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ভেতরে থাকা কর্মচারীর সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ট্রেনের ওই কর্মচারী যাত্রীদের ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনার পর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি আটকে বিক্ষোভ করেন আহত যাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা। বিক্ষোভের মুখে পালিয়ে যান ট্রেনের লোকোমাস্টার ও টিটিই।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হারুন অর রশিদ ও কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সুন্দরবন এক্সপ্রেস।
ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়া ট্রেনের ওই কর্মচারীর পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
ইউএনও হারুন অর রশিদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘হামলার শিকার যাত্রীরা থানায় অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
