বাড়ির আগুন নেভার পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল স্কুলশিক্ষকের মরদেহ

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক স্কুলশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  

গতকাল বুধবার দিবাগত ৩টার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়ন থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গীতা রানী (৫০) ওই এলাকার নন্দ লাল বিশ্বাসের স্ত্রী ও স্থানীয় একটি ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক।

ওসি নাজমুল হোসেন বলেন, গীতা রানীর ঘরে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় টহল পুলিশ। এ সময় স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে সেসময় গীতা রানীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ঘরের পেছনে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলার পর মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘরের মেঝেতে সিঁধ কাটার আলামত পাওয়া গেছে।

গীতা রানীর মেয়ে মাধবী বিশ্বাস বলেন, এক সপ্তাহ আগে বাড়িতে চুরি হয়েছিল। মা কয়েকজন চোরকে চিনে ফেলেছিলেন। এ কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

নন্দ লাল বিশ্বাস বলেন, জমি-সংক্রান্ত শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

ওসি নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি চুরির সঙ্গে সম্পর্কিত মনে হলেও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধসহ একাধিক বিষয় সামনে এসেছে। আমরা সব দিক বিবেচনা করে তদন্ত করছি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গীতা রানী একা থাকতেন। তার স্বামী ও দুই মেয়ে কেউই পাবনায় থাকতেন না।

Related Articles

Latest Posts