অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজে নামার আগে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংটাও অস্বস্তিতে রাখছে বাংলাদেশকে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে খুব একটা দাপট দেখাতে পারেননি তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেনরা। বাকিদের সাদামাটা দিনে উজ্জ্বল ছিলেন অবশ্য হাসান মাহমুদ।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৬৩ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৩৫৫ রান করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। ফলে ৯২ রানের লিড পেয়েছে তারা। প্রতিপক্ষের ইনিংস মুড়ে দিতে বাংলাদেশের সফল বোলার হাসান ৪২ রানে নেন ৪ উইকেট।
অস্ট্রেলিয়ানদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন তরুণ ব্যাটার টিগুয়ে উইলি। ১৭৭ বলে ১৬ চারে ১৩০ রান করে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। এছাড়া ফিফটি করেছদেন কুর্টিস প্যাটারসন (৫৩) ও জ্যাক ডুরান (৭৬)।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ফের ব্যর্থ বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ২ উইকেটে ১৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে তারা। আউট হয়ে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম ও তিনে নামা মুমিনুল হক। দুজনেই শিকার বাঁহাতি পেসার ক্যাম্পবেল থমসনের।
সাদমান কিছুটা লাফানো বলে হকচকিয়ে দেন ক্যাচ। ১ চারে ৬ রান করে ফেরেন তিনি। ভেতরে ঢোকা বলে স্টাম্প উড়ে যায় সমান ৬ রান করা মুমিনুলের। ৭ রানে অপরাজিত আছেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম।
আগের দিন বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিলো জুতসই। স্যাম কনস্টাস ও ক্যাম্পবেল কেলাওয়েকে ১ রানের মধ্যেই ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তাসকিন ও হাসান।
এরপরই জশ ফিলিপকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন প্যাটারসন। ২ উইকেটে ৫২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেও আঘাত হানেন হাসান। ফিলিপকে বোল্ড করে দেন তিনি। তবে জ্যাক ক্লেটনকে নিয়ে এগুতে থাকেন প্যাটারসন। দুজনের জুটিতে ৭৩ আসার পর ইবাদত আনেন ব্রেক থ্রো। ৪৮ করা ক্লেটনকে ফেরান তিনি। খানিক পর প্যাটারসনকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছিলেন হাসান।
তবে উইলি এসে বদলে দেন পরিস্থিতি। ডুরানকে নিয়ে দারুণ জুটিতে হতাশ করতে থাকেন সফরকারী বোলারদের। মাঝের এই সময়টায় প্রতিপক্ষকে বড় পরীক্ষাও নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে চলে আসে ১৬৭ রান। তাতে লিড নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
৭৬ করে ডুরান যখন মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ক্যাচ দেন ততক্ষনে তিনশো পেরিয়ে গেছ তারা। বাকি অংশে একাই রান বাড়িয়েছেন উইলি। টেল এন্ডারদের ছাঁটতে হাসানের সঙ্গে ভূমিকা রাখেন তাসকিন ও খালেদও। তবে লিডটা বড়ই করে ফেলে তারা।
