ইউটিলিটি বিল ও মোবাইল ফোনে রিচার্জের জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে ঋণের সুবিধা চালুর পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ সুবিধার আওতায় ৫০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ধার পাওয়া যাবে। ৩০ দিনের মধ্যে সুদ ছাড়াই এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
এ-সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি খসড়া নীতিমালায় এই সুযোগের কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, এসব ঋণে কোনো সুদ প্রযোজ্য হবে না। এর পরিবর্তে ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট হারে সার্ভিস ফি নেওয়ার অনুমতি পাবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই সুবিধা ক্যাশলেস (নগদবিহীন) অর্থনীতি গড়ে তুলতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসার ঘটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বসাধারণের মতামত ও পরামর্শের জন্য খসড়া নীতিমালাটি প্রকাশ করেছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দেওয়া মতামত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।
নির্ধারিত সার্ভিস ফি অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা ফি নেওয়া হবে।
২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ঋণে ১০ টাকা ফি নেওয়া হবে।
৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ১৫ টাকা ফি।
১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ২৫ টাকা ফি।
২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৩৫ টাকা ফি।
৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৫০ টাকা ফি।
অনুমোদিত এই সার্ভিস ফি ছাড়া ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের সুদ, জরিমানা, প্রসেসিং ফি বা অন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ নিতে পারবে না। নির্ধারিত সময়ের আগেই কেউ ঋণ শোধ করে দিলে তার কাছ থেকে বাড়তি কোনো আর্লি সেটেলমেন্ট ফিও নেওয়া যাবে না বলে খসড়ায় বলা হয়েছে।
পুরো ঋণ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। কাগজের স্বাক্ষরের পরিবর্তে গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক সত্যতা যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতি গ্রহণ করবে ব্যাংকগুলো।
