ক্লাব পর্যায়ের শীর্ষ স্তরে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আর্লিং হালান্ড। সেজন্য কিলিয়ান এমবাপে ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর চেয়ে কম ম্যাচের প্রয়োজন হয়েছে তার। তবে লিওনেল মেসিকে টপকে যেতে পারেননি এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার।
শনিবার রাতে ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে হালান্ডের লক্ষ্যভেদে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২৬তম মিনিটে ডানদিক থেকে অ্যান্টোয়ান সেমেনিওর ক্রসে লাফিয়ে হেড করে জাল খুঁজে নেন তিনি।
300 club goals. Grateful for every step pic.twitter.com/Lj1hKFuaJ8
ম্যান সিটির জার্সিতে ২৬ বছর বয়সী হালান্ডের এটি ১৬৫ নম্বর গোল। এর আগে নিজ দেশের ক্লাব মোলডের হয়ে ২০টি, অস্ট্রিয়ান ক্লাব রেড বুল সালজবুর্গের হয়ে ২৯টি ও জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬টি গোল করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে গোলের সংখ্যা ৩০০টি, যা এসেছে ৩৮৪টি ম্যাচে।
ক্লাব পর্যায়ে রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি স্ট্রাইকার এমবাপে ৩০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন ৩৯৮ ম্যাচে, আল নাসরের পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রোনালদো ৪৯৯ ম্যাচে। তাদেরকে পেছনে ফেললেও মেসি আছেন হালান্ডের সামনে। ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ৩০০ গোলের মাইলফলকে পা রেখেছিলেন ৩৬৫ ম্যাচ খেলে।
কভেন্ট্রির বিপক্ষে জয়সূচক গোল করলেও হালান্ড ছিলেন না তার চেনা মেজাজে। প্রথমার্ধে দুবার গোলরক্ষক কার্ল র্যাশওর্থকে একা পেয়েও জাল কাঁপাতে ব্যর্থ হন তিনি। নইলে ম্যান সিটির জয়ের ব্যবধান বড় হতে পারত। গোটা মাঠে আধিপত্য করলেও ফিনিশিংয়ে ভুগেছে তারা। ৭৮ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে গোলমুখে ১৫টি শট নিয়ে চারটি লক্ষ্যে রাখে দলটি।
ম্যাচের পর ভোগান্তির কথা স্বীকার করে আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনকে হালান্ড বলেন, ‘ম্যাচটা আগেভাগে শেষ করে দিতে আমার আরও গোল করা উচিত ছিল। কিন্তু আমি তা পারিনি বলে দলের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছিলাম এবং কভেন্ট্রিকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচে জিইয়ে রেখেছিলাম। প্রিমিয়ার লিগে সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে আপনাকে ভুগতেই হবে।’
প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধারের অভিযানে আসরের প্রথম তিনটি ম্যাচেই জিতেছে ম্যান সিটি। পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থানও মজবুত করেছে এনজো মারেস্কার শিষ্যরা। দলটির সাতটি গোলের তিনটিই করেছেন গোলমেশিন হালান্ড।
