কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে (প্রথম বিভাগ) কেন্টের সফলভাবে উন্নীত হওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেন বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে দুই বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের শীর্ষ স্তরে ফিরল দলটি।
শনিবার ডিভিশন টুয়ে (দ্বিতীয় বিভাগ) নিজেদের শেষ ম্যাচে গ্লস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে কেন্ট। ফলে ১৪ ম্যাচে ২১১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে সফল মৌসুমের ইতি টানল তারা।
তবে এদিনের শুরুতে তৃতীয় স্থানে থাকা নর্দাম্পটনশায়ার মিডলসেক্সের কাছে হেরে যাওয়ায় কেন্টের প্রথম বিভাগের টিকিট আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ১৪ ম্যাচে নর্দাম্পটনশায়ারের পয়েন্ট ১৯১। ফলে শেষ ম্যাচের ফলাফল যা-ই হতো না কেন, কেন্টের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুইয়ে থাকা পাকা ছিল।
দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা আগেই জিতে নিয়েছে ডারহাম। তারা আগের ১৩ ম্যাচে ২৫০ পয়েন্ট অর্জন করে প্রথম বিভাগে উন্নীত হয়েছে। শেষ ও চলমান ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ল্যাঙ্কাশায়ার।
মৌসুমের শেষদিকে এসে কেন্টের ভালো করার পেছনে অন্যতম দুই কারিগর ছিলেন হাসান ও খালেদ। সামনের ব্যস্ত সূচি সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) হাসানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আগে মাত্র চার ম্যাচেই ২৬টি উইকেট শিকার করেন তিনি। অন্যদিকে, মৌসুমের একদম শেষভাগে যোগ দেওয়া খালেদ তিন ম্যাচ খেলে তুলে নেন ১৬টি উইকেট।
গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষেও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন খালেদ। প্রথম ইনিংসে ৩৭ রানে ৩ উইকেট শিকারের পর দ্বিতীয় ইনিংসে পান ৬৭ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট।
ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে গত ম্যাচে কেন্টের ৭ উইকেটের জয়ে বড় প্রভাব রেখেছিলেন খালেদ। ওই ম্যাচে মোট ৮ উইকেট নিয়েছিলেন ডানহাতি এই পেসার। সেই জয়টি প্রথম বিভাগে ওঠার দৌড়ে কেন্টের অবস্থানকে মজবুত করেছিল।
গত বছর দ্বিতীয় বিভাগের ঠিক তলানিতে থেকে মৌসুম শেষ করেছিল কেন্ট। তাই এবার দলটির কাউন্টির শীর্ষ স্তরে জায়গা করে নেওয়া এক অসাধারণ ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ মূলত দুটি স্তরে বিভক্ত। আট দলের দ্বিতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ দুটি দল ১০ দলের প্রথম বিভাগে উন্নীত হয়। অন্যদিকে, প্রথম বিভাগের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা দুই দলের দ্বিতীয় বিভাগে অবনমন হয়।
