উত্তর কোরিয়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ শনিবার উত্তর কোরিয়ার ওনসান এলাকা থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেছে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার উচ্চতায় ওঠে। এটি জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে জাপান সাগরের জলসীমায় পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে কোনো জাহাজ বা উড়োজাহাজের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জাপান সরকার।
বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সমন্বয় করছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান।
গত ২০ সেপ্টেম্বর স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর এটিই উত্তর কোরিয়ার প্রথম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বলে জানিয়েছে জাপানি সংবাদমাধ্যম নিপ্পন।
গত মাসে দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী সামরিক নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) মাইন বিস্ফোরণে ওই তিন সেনা আহত হন। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ কমান্ডের তদন্তে বলা হয়, সীমান্তের দক্ষিণ পাশে উত্তর কোরিয়ার পুঁতে রাখা মাইন থেকে বিস্ফোরণটি ঘটে।
এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী। তবে পিয়ংইয়ং নিজেদের দায় অস্বীকার করেছে।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়াকে ক্ষমা চেয়ে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান। শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং এ আহ্বানকে উপহাস করেন এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবিকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেন। সীমান্তের ঘটনা নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া যে পদক্ষেপই নিক, উত্তর কোরিয়া তার জন্য প্রস্তুত বলেও সতর্ক করেন তিনি।
