প্রেম, বিরহ নিয়ে নাটক, চলচ্চিত্র কিংবা ওয়েব ফিল্মের গল্প আছে। কিন্তু বিয়ের পর একটা যুগলের জীবনে আসলে কী ঘটে, সেই বিবাহিত জীবনের গল্প খুব একটা দেখা যায় না। সেই চিন্তা থেকেই তরুণ পরিচালিক জাহিদ প্রীতম নির্মাণ করেছেন ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’। ৮ অক্টোবর থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে দেখা যাচ্ছে এটি।
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ওয়েব ফিল্মের মাধ্যমে প্রথমবার জুটি হয়ে কাজ করলেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল।
সিনেমাটির বিষয়বস্তু দাম্পত্য জীবন। আরিফিন শুভর কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিবাহিত জীবনে সুখে থাকার উপায় আসলে কী? জবাবে তিনি বলেন, ‘ম্যারিড লাইফে হ্যাপি থাকার রেসিপি হচ্ছে, প্রত্যেক সপ্তাহে একবার করে “হ্যাপিলি ম্যারিড” দেখতে হবে। শুক্রবার দিন সকালবেলা উঠে এটি একবার করে দেখতে হবে, তাহলেই হ্যাপিলি ম্যারিড থাকতে পারবেন।’
কেয়া পায়েল বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষেরই নিজের বিয়ে নিয়ে একটা ফ্যান্টাসি থাকে। কারণ, বিয়ে জীবনের বড় একটা সিদ্ধান্ত। আমার মনে হয়, অনেক বুঝে-শুনে, অনেক চিন্তা করে, আয়োজন করে মানুষ বিয়ে করে। আমার নিজেরও অনেক চিন্তা আছে। তবে তার আগে হ্যাপিলি ম্যারিড দেখে বুঝুক আসলে বিয়েটা কী।’
কী আছে ’হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমায়? বিষয়টি নিয়ে এর গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ রচয়িতা ও নির্মাতা জাহিদ প্রীতম জানিয়েছেন, তিনি বিয়ে করেছেন দেড় বছর হলো এবং ধীরে ধীরে তিনি বুঝতে পারছেন সম্পর্কের নানা স্তর।
‘প্রেমের সময়ের সেই ৪–৫ ঘণ্টার যোগাযোগ, আর ২৪ ঘণ্টা একসঙ্গে থাকায় পরিণত হওয়ায় জীবনে কী কী পরিবর্তন আসে, আমি তা ভালোভাবেই বুঝতে পারছি। আমার বন্ধুরা বলেছিল বিয়ের পর বুঝবি, তখন আর প্রেমের গল্প বলতে ইচ্ছা করবে না। কিন্তু আমার সেটা হয়নি। বরং আরও স্নিগ্ধ হয়েছে। আমি বাস্তবতার সঙ্গে ডিল করা শিখছি। হয়তো বাস্তব জীবনের ধারণা থেকেই সিনেমার গল্প বুনন।’
‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ওয়েব ফিল্মে আরও অভিনয় করেছেন সালাউদ্দিন লাভলু, তুষার খান, দীপা খন্দকার, ক্রিস্টিয়ানো তন্ময়, উম্মে জামিলাতুন নাঈমা, পারভেজ সুমন, টুইংক ক্যারল।
