রামাদানের বিশেষ রিমাইন্ডার

ইমাম গাজালি রাহ. ‘ইহইয়া’ গ্রন্থে লেখেন,

‘হে মিসকিন, যখন তুমি রোজা রাখবে তখন লক্ষ রেখো, কার নিকট ইফতার করছ আর ইফতারে কী খাবার খাচ্ছ। কারণ, কখনো বান্দা এক লুকমা খাবার খায় আর এতেই তার অন্তর পূর্বের অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হয়ে যায়। এমনকি পরেও তা আর সেই অবস্থায় ফেরে না। সব গুনাহই অন্তরের কাঠিন্য সৃষ্টি করে এবং রাতের কিয়াম (তাহাজ্জুদ) থেকে ফিরিয়ে রাখে। এক্ষেত্রে সবিশেষ প্রভাব ফেলে হারাম খাদ্য গ্রহণ। হালাল লুকমা অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে এবং তা কল্যাণের দিকে পরিচালিত করতে এতটাই প্রভাব রাখে, যা অন্য কোনো কিছুর দ্বারা হয় না।…

‘কত খাবার এমন রয়েছে, যা রাতের কিয়াম থেকে ফিরিয়ে রাখে৷ কত নজর (দৃষ্টিপাত) এমন রয়েছে, যা সুরা পড়া থেকে বঞ্চিত করে। বান্দা কখনো এমন কিছু খায় বা এমন কিছু করে, যার কারণে এক বছর পর্যন্ত রাতের কিয়াম থেকে বঞ্চিত থাকে। যেমনিভাবে সালাত অশ্লীলতা ও গর্হিত কাজ থেকে বারণ করে, একইভাবে অশ্লীল গুনাহসমূহও সালাত এবং অন্যান্য কল্যাণকর আমল থেকে বান্দাকে ফিরিয়ে রাখে।’

– শাইখ আলী হাসান উসামা (হাফিযাহুল্লাহ)

Leave a Reply

Your email address will not be published.