হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলিতে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে যা জানা গেল

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের বাইরে শনিবার গুলিতে নিহত হওয়া ২১ বছর বয়সী নাসির বেস্ট এর আগেও একাধিকবার সিক্রেট সার্ভিসের নজরে এসেছিলেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, এর মধ্যে একবার তাকে জোরপূর্বক মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। আরেক ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তাকে আটক করেছিল, যখন তিনি দাবি করেছিলেন যে ‘তিনি যিশুখ্রিস্ট’।

এদিকে বেস্টের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতেও উদ্বেগজনক কিছু বার্তা পাওয়া গেছে। একটি পোস্টে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সহিংসতার হুমকি দিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। অন্য একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি আসলে ঈশ্বরের পুত্র।’

সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের বাইরে একটি নিরাপত্তা চৌকির দিকে এগিয়ে এসে এক ব্যক্তি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র নিশ্চিত করে, নিহত ওই ব্যক্তি ছিলেন নাসির বেস্ট। গোলাগুলির সময় এক পথচারীও আহত হন।

ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই ছিলেন। তবে তিনি অক্ষত রয়েছেন।

আদালতের হলফনামা অনুযায়ী, গত গ্রীষ্মে হোয়াইট হাউসের আশপাশে বেস্টের সঙ্গে একাধিকবার দেখা হয়েছিল কর্মকর্তাদের। নথিতে বলা হয়, হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের বিভিন্ন প্রবেশপথ দিয়ে কীভাবে ভেতরে যাওয়া যায়, তা জানতে চেয়ে ঘোরাঘুরি করার কারণে তিনি ‘সিক্রেট সার্ভিসের পরিচিত ব্যক্তি’ ছিলেন।

২০২৫ সালের ২৬ জুন হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের একটি অংশে গাড়ি প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাকে জোরপূর্বক মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০২৫ সালের ১০ জুলাই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে বেস্ট হোয়াইট হাউসের বাইরের একটি সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করেন। সেখানে কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে ঘিরে ধরেন। ওই সময় বেস্ট নিজেকে যিশুখ্রিস্ট দাবি করেন এবং বলেন যে, ‘তিনি গ্রেপ্তার হতে চান।’

Related Articles

Latest Posts