নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে বেশ এগিয়ে আছেন কেয়া পায়েল। কালেভদ্রে মডেলিংও করেন তিনি। তবে নাটকে অভিনয়ের ক্ষেত্রেই তাকে বেশি ব্যস্ত দেখা যায়।
বছরজুড়ে তার নাটক বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদের নয়টি নাটকে অভিনয় করেছেন। নয়টি নাটকে নয় রকম চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
ঈদের নাটক নিয়ে কেয়া পায়েল কথা বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে।
কেয়া পায়েল ঈদের নাটক সম্পর্কে বলেন, ‘ঈদে বেশ কিছু কাজ করেছি। কোনোটা ঈদের আগে শুটিং করেছি, আবার কোনোটা হয়তো আরও আগে করেছি। সব মিলিয়ে নয়টি নাটক প্রচার হচ্ছে। দর্শকরা প্রতিটি নাটকে আমাকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে দেখবেন। কোনো নাটকের সঙ্গে অন্য নাটকের মিল নেই, ভিন্নতা আছে।’
ভিন্ন ভিন্ন নাটকের চরিত্রগুলো করার সময় কতটা উপভোগ করেছেন? এর জবাবে কেয়া পায়েল বলেন, ‘অবশ্যই কাজগুলো উপভোগ করেছি। অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা আছে বলেই কাজ করতে পারছি। অভিনয় ভালোবাসি। প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি ভালো কাজের সঙ্গে থাকতে। শুটিংয়ের সময় অনেক উপভোগ করেছি।’
এবারের ঈদে কেয়া পায়েল অভিনীত নয়টি নাটক হচ্ছে—’বুকের ভিতর আগুন’, ‘বেখেয়ালি’, ‘সুখের গল্প’, ‘ডুব’, ‘নোটবুক’, ‘যত্নে থাকো’, ‘অপরাজিতা’, ‘ছুঁয়ে দে আমায়’ এবং ‘পাল্লু বিল্লুর বিয়ে’।
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কাজই যত্ন করে করা হয়েছে। এবার অনেক ভালো ভালো কাজ হয়েছে।’
নিজের অভিনীত নাটক দেখার বিষয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘আমার অভিনীত নাটকগুলো দেখছি। আরও যেগুলো প্রচার হবে, সেগুলোও দেখব। পাশাপাশি অন্যদের নাটকও দেখছি।’
কাছের মানুষদের কাছ থেকে ঈদের নাটক নিয়ে কী ধরনের ভালোবাসা পাচ্ছেন? এর জবাবে কেয়া পায়েল বলেন, ‘ভালো ফিডব্যাক পাচ্ছি। সবাই ভালো বলছেন। সবগুলো নাটক প্রচার শেষ হলে আরও বিস্তারিত মতামত জানতে পারব।’
এদিকে, এবারের ঈদের ছুটিতে ঢাকায় আছেন কেয়া পায়েল। পরিবারের সবার সঙ্গে সুন্দর সময় পার করছেন।
তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে সময় পার করছি। কাজিনদের সঙ্গে সিনেমা দেখেছি। সবাই মিলে গল্প করছি। সুন্দরভাবে সময় কাটছে।’
কথায় কথায় কেয়া পায়েল ঈদের সালামি নিয়ে বলেন, ‘মা-বাবার কাছ থেকে সালামি পেয়েছি। তবে ছোটদের অনেক সালামি দিতে হয়েছে। বিষয়টা ভালোই লাগে।’
সবশেষে অভিনয় নিয়ে কেয়া পায়েল বলেন, ‘সবসময় ভালো ভালো কাজ করতে চাই। সেভাবেই পথ চলছি। দর্শকরা মনে রাখবেন এবং চ্যালেঞ্জ নেওয়া যায়—এমন কাজই আমাকে বেশি টানে।’
