৯ অকেজো ভেন্টিলেটর নিয়ে গোপালগঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ চালু

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে আইসিইউর ১০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে বর্তমানে সচল রয়েছে মাত্র একটি। কারিগরি ত্রুটির কারণে বাকি ৯টি ভেন্টিলেটর অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

আজ রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ (ভিক্টোরিয়া) জেনারেল হাসপাতাল থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নারায়ণগঞ্জসহ ১০ জেলায় আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করেন।

এ সময় গোপালগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক, গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রিহাব ইনামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আইসিইউ উদ্বোধন শেষে এমপি ডা. কে এম বাবর বলেন, ‘২০২০ সালে বরাদ্দ পাওয়া ভেন্টিলেটরগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়া ও নিম্নমানের হওয়ায় অধিকাংশই অকেজো হয়ে পড়েছে। গোপালগঞ্জে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা চালু না থাকায় রোগীরা দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘২০২০ সালে আইসিইউ ইউনিটের সরঞ্জাম ক্রয় করা হয়। বর্তমানে ১০টি ভেন্টিলেটরের মধ্যে মাত্র একটি সচল রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি শনাক্ত হয়েছে। তবে আইসিইউ বেড, মনিটরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি কার্যকর রয়েছে। অকেজো ভেন্টিলেটরগুলো মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আইসিইউ ইউনিট পরিচালনায় জনবলেরও ঘাটতি রয়েছে। তবে জনবল বৃদ্ধি ‍ও যন্ত্রপাতি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘দেশের ১০ জেলায় একযোগে ১০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করা হয়েছে। গোপালগঞ্জে ১০টি আইসিইউ বেড প্রস্তুত রয়েছে। ভেন্টিলেটরগুলোর কারিগরি সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেগুলো সচল করা হবে বলে আশা করছি।’

গোপালগঞ্জ ছাড়া আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন হওয়া বাকি ৯ জেলা হলো—নারায়ণগঞ্জ সরকারি জেনারেল হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল, যশোর জেনারেল হাসপাতাল, শেরপুর সদর হাসপাতাল, মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও বাগেরহাট সদর হাসপাতাল।

Related Articles

Latest Posts