পাঁচ ওভারে মাত্র ১১ রান তুলতে নেই ৩ উইকেট। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারল না বাংলাদেশ। একপ্রান্ত আগলে অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় অপরাজিত ফিফটি করলেও পেলেন না যোগ্য সঙ্গ। তাই মামুলি পুঁজিতে আটকে গেল টাইগাররা। ফলে ম্যাচের মাঝপথেই হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কা চোখ রাঙাচ্ছে তাদের।
রোববার চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা স্কোরবোর্ডে জমা করতে পেরেছে ৮ উইকেটে ১০৯ রান। ইতোমধ্যে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়া অজি বোলারদের বিপরীতে স্রেফ অসহায় ছিলেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন এই সংস্করণে সপ্তম ফিফটির স্বাদ নেওয়া হৃদয়।
চারে নেমে হৃদয় খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। অন্যপ্রান্তে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে ৫১ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন তিনটি করে চার ও ছক্কা। তিনি ছাড়া দুই অঙ্কে যেতে পারেন কেবল রিশাদ হোসেন (১৪ বলে ১৬ রান)। বাকিরা সবাই হন ব্যর্থ। তানজিদ হাসান তামিম (২ বলে ৫ রান), সাইফ হাসান (৯ বলে ১ রান), পারভেজ হোসেন ইমন (১৩ বলে ১ রান), নুরুল হাসান সোহান (৮ বল ৬ রান) ও শামীম হোসেন (৫ বলে ০ রান)— নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি।
এক পর্যায়ে ১০০ রানের নিচেই অলআউট হওয়ার শঙ্কা জেগেছিল বাংলাদেশ দলের। ৬৫ রানে পড়ে গিয়েছিল ৭ উইকেট। এরপর শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ২১ বলে ২৫ এবং তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ১৭ বলে অবিচ্ছিন্ন ২৩ রানের জুটি গড়েন তিনি।
সফরকারীদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন স্পেন্সার জনসন, ন্যাথান এলিস ও অ্যাডাম জ্যাম্পা। তাদের মধ্যে বাঁহাতি পেসার জনসন ৪ ওভারে স্রেফ ৬ রান দিয়ে গড়েন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টিতে অজিদের পক্ষে কোনো ম্যাচে সবচেয়ে আঁটসাঁট বোলিংয়ের নজির এটি। এর আগে ২০১৮ সালে হারারেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪ ওভারে ৮ রান দিয়েছিলেন বিলি স্ট্যানলেক।
