ব্রাজিল এখন পর্যন্ত যতগুলো দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে তাদের মধ্যে কেবল নরওয়েকেই এখনো হারাতে পারেনি। অবশ্য দলটির বিপক্ষে ম্যাচও খেলেছে খুব কম। তবে যেহেতু নেতিবাচক একটি রেকর্ড আছেই সেটাকেই প্রেরণা মনে করে ইতিহাস গড়তে চান ব্রুনো গিমারেস।
আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম জয়ের খুঁজে নামবে পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের আগের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে গিমারেস ব্যাখ্যা করেন যে, নরওয়েজীয়দের বিপক্ষে এই জুজু বা অপয়া রেকর্ড ভাঙা এক ধরনের ‘অনুপ্রেরণা’ এবং তিনি একটি ‘কঠিন লড়াইয়ের’ ম্যাচের পূর্বাভাস দিয়েছেন।
‘এটি আমাদের জন্য বাড়তি একটি অনুপ্রেরণা, তাই না? সেই নেতিবাচক রেকর্ডটি ভাঙা… আমরা জানি অনেক দিন হয়ে গেছে দল দুটি একে অপরের মুখোমুখি হয়নি এবং এর মাঝে অনেক কিছু ঘটে গেছে। এটি একটি অনুপ্রেরণা। আমরা আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে চাই এবং ব্রাজিলের মহান ইতিহাসে নিজেদের নাম লিখতে চাই। আগামীকাল আমাদের সামনে সেটি করার একটি সুযোগ রয়েছে’, বলেন ব্রুনো।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ফুটবলের ফয়সালা মাঠেই হয়। এগারো জনের বিরুদ্ধে এগারো জন। এটি একটি দুর্দান্ত ম্যাচ হতে যাচ্ছে, কঠিন লড়াই হবে। তাদেরও নিজস্ব কিছু গুণ রয়েছে। লম্বা খেলোয়াড়, তারা ক্রস করার চেষ্টা করবে। (…) আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
ব্রাজিলের ৮ নম্বর জার্সি পরিহিত এই খেলোয়াড় দলের মিডফিল্ডে অন্যতম সেরা পারফর্মার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। চার ম্যাচে তিনি চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন এবং তালিকায় শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে চলে এসেছেন। তিনি মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থানে আছেন এবং ফ্রান্সের অলিসের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট কম রয়েছে তার।
এত বেশি সংখ্যক অ্যাসিস্ট করা সত্ত্বেও, তিনি নিজেকে এমন একজন খেলোয়াড় হিসেবে দেখেন যিনি সতীর্থদের গোল বানিয়ে দেওয়া ছাড়াও মিডফিল্ডে অন্য ভূমিকাও পালন করেন।
তিনি শেষ করেন এই বলে,’কোচ আমার কাছে যা চাচ্ছেন, তা আমি খুব ভালোভাবে করছি। অ্যাসিস্টের জন্য আমি নজর কেড়েছি ঠিকই, তবে আমার ফুটবল শুধু এটুকুই নয়। আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের কাছে বল পৌঁছে দেওয়া যাতে তারা সুযোগ তৈরি করতে পারে, মার্কিং করা, প্রচুর দৌড়ানোর মানসিকতা রাখা—এমনকি এই গরমেও আমি এসবই করে যাচ্ছি।’
