নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরসহ দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষায় ওই শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে আমান উল্লাহর ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার পর অভিযোগপত্রটি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা আদালতের পরিদর্শক মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদ দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেন। অপর আসামি আমান উল্লাহর ভাই মাইমুন ওরফে মামুন মিয়া (৩২)।
এসআই আক্তারুজ্জামান বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
নেত্রকোণা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল ডেইলি স্টারকে বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনটি সম্প্রতি আদালতে পৌঁছেছে।
গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই শিশুর মা। অভিযোগে বলা হয়, আমান উল্লাহ শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন, ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়।
