কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ছাত্রদলের দুপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন—বেসরকারি টিভি চ্যানেল স্টার নিউজের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম ও মোহনা টিভির ক্যামেরাম্যান মোমিন ইসলাম।
এ বিষয়ে মোমিন ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির সময় ভিডিও ধারণ করছিলেন জহুরুল। এ সময় একজন এসে তার হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। আরেকজন তাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন আমি ভিডিও ধারণ করলে আমাকেও মারধর করা হয়।
জহুরুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, হাতাহাতির ভিডিও ধারণ করলে জেলা ছাত্রদলের কর্মী মুন্না আমার ওপর হামলা চালান। সেসময় সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি গালিগালাজ করেন। পরে ছাত্রদলের আরেক কর্মী তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জহুরুলের ওপর হামলার সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গালিগালাজ করেন। পরে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তিনি মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করে দেন।
জানতে চাইলে মোজাক্কির রাব্বি ডেইলি স্টারকে বলেন, সেখানে কুমারখালীর স্থানীয় ছাত্রনেতাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি ঠিক হয়। এরপর আর কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি।
আজ দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে যান। এর আগে তিনি রায়ডাঙ্গায় আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে উঠতে গেলে সেখানেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ সময় ছাত্রদলের দুপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
জানতে চাইলে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করিনি।
