বিশ্বকাপ মানেই গোল, রেকর্ড, তারকা আর চমকপ্রদ গল্পের মেলা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে আলোচনার একটি ভিন্ন বিষয়ও সামনে এসেছে খেলোয়াড়দের উচ্চতা। এক প্রান্তে আছেন ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা, অন্য প্রান্তে সবচেয়ে খাটো ফুটবলার। আর তাদের মাঝে ব্যবধান প্রায় অর্ধ মিটার।
এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে লম্বা ফুটবলার হলেন ফ্লোরিয়ান উইগেলে। অস্ট্রিয়ার এই গোলরক্ষকের উচ্চতা ২.০৫ মিটার, অর্থাৎ প্রায় ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি। শুধু এবারের আসরেই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা স্কোয়াডভুক্ত খেলোয়াড়ও তিনি। এর আগে রেকর্ডটি ছিল আন্দ্রেয়াস নোপার্টের দখলে, যার উচ্চতা ছিল ২.০৩ মিটার।
উচ্চতার তালিকায় এরপরই আছেন ড্যান বার্ন, আলভারো মন্তেরো এবং স্টেপান রেদেলিক। তিনজনেরই উচ্চতা ২.০১ মিটার। আকাশি বলের লড়াইয়ে তারা প্রতিপক্ষের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করবেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে উচ্চতার তালিকার একেবারে নিচে রয়েছেন সিজার ইয়ানিস। পানামার এই মিডফিল্ডারের উচ্চতা মাত্র ১.৬০ মিটার, অর্থাৎ প্রায় ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। তার ঠিক ওপরে রয়েছেন জেরেমি আন্তোনিসে, যার উচ্চতা ১.৬৪ মিটার। তবে খাটো হওয়াটা তাদের জন্য কোনো সীমাবদ্ধতা নয়। বরং দ্রুত গতি, ভারসাম্য ও সংকীর্ণ জায়গায় বল নিয়ন্ত্রণের দক্ষতাই তাদের বড় শক্তি।
মজার বিষয় হলো, ইংল্যান্ডের ড্যান বার্ন এবং পানামার সিজার ইয়ানিসের উচ্চতার পার্থক্য ৪১ সেন্টিমিটার। আর ভাগ্যের পরিহাসে, ‘এল’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ড ও পানামা মুখোমুখি হবে। ফলে বিশ্বকাপের সবচেয়ে লম্বা আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের একজন এবং সবচেয়ে খাটো ফুটবলারের একই মাঠে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
যদিও বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় উচ্চতার পার্থক্য নয়। সেই রেকর্ডটি গড়েছিল ২০০৬ বিশ্বকাপ। তখন নিকোলা জিজিক এবং বেকারি কোন একই ম্যাচে মাঠে ছিলেন, যাদের উচ্চতার ব্যবধান ছিল ৩৯ সেন্টিমিটার।
