দেশে চলমান হামের টিকার ঘাটতির কারণ ইতোমধ্যে স্পষ্ট এবং এক্ষেত্রে কোনো তদন্তের দরকার নেই বলে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য বিষয়ক) এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, এই ঘাটতি মূলত ‘অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতির’ কারণে তৈরি হয়েছে।
দেশজুড়ে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ পর্যন্ত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে মোট ৬৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার পেছনে টিকার ঘাটতিকে দায়ী করা হচ্ছে।
টিকা ঘাটতির বিষয়ে সরকার কোনো তদন্ত করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘এখানে তদন্ত করার কী আছে?’
হাম টিকা কেনার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তে আগের ‘অপারেশনাল প্ল্যান’ বা বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা বাতিল করে ডিপিপি চালুর সিদ্ধান্তকে দায়ী করেন তিনি।
জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘প্রত্যেক ৪ বছর পর পর রাউন্ড টিকাদান হয়। ২০২৪ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারির মধ্যে আরেকটা রাউন্ড হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই রাউন্ডটা একেবারেই হয়নি।’
‘এই না হওয়ার প্রধান কারণ ছিল তৎকালীন সরকার হঠাৎ করে অপারেশনাল প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিয়ে ডিপিপিতে মাইগ্রেট করল। কিন্তু ডিপিপির মাধ্যমে অর্থায়নের ব্যবস্থা ছিল না। তাই টাকার অভাবে তারা টিকা কিনতে পারেনি এবং পুরো রাউন্ডটাই মিস করে গেছে,’ যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী আরও বলেন, ‘এবার যে বাচ্চারা হামে আক্রান্ত হয়েছে, দেখা গেছে তারা ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ এর এই সময়টার মধ্যে জন্ম নিয়েছে এবং কখনোই হামের টিকা পায়নি।’
