নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন মা বিউটি আক্তারও (২২) মারা গেছেন। এর আগে একই ঘটনায় তার আট বছর বয়সী ছেলে মারুফের মৃত্যু হয়।
আজ সোমবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিউটির মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বিউটির শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
গত শনিবার একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বিউটির ছেলে মারুফ। চিকিৎসকদের ভাষ্য, তার শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
একই ঘটনায় দগ্ধ বিউটির স্বামী রাজমিস্ত্রি মাইদুল ইসলাম (২৪) এখনও জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ডা. শাওন।
গত শুক্রবার সকালে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের পর আগুনে দগ্ধ হন পরিবারের তিন সদস্য।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। কাজের সুবাদে প্রায় এক বছর ধরে তারা বন্দরের ওই টিনশেড ভাড়া বাসায় থাকছিলেন।
ঘটনার দিন প্রাথমিক তদন্তের বরাতে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, রান্নাঘরের তিতাস গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল। সকালে আগুনের উৎস তৈরি হওয়ায় বিস্ফোরণ ঘটে এবং এতে পরিবারের তিন সদস্য দগ্ধ হন।
