নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম।
বিমসটেকভুক্ত (বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা জোট) দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকের আগে গত ১৫ জুলাই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
তবে এই বৈঠকের বিষয়ে কোনো পক্ষই কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের দুই বছর পর সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্কে উন্নতির কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে সীমান্ত হত্যা, পুশ ইনসহ বেশ কিছু বিষয়ে এখনো টানাপোড়েন রয়েছে। গত ফ্রেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়নি।
ভারতের আয়োজনে ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় বিমসটেকভুক্ত (বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা জোট) দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা প্রধানদের পঞ্চম সম্মেলন। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এ কে এম শামছুল ইসলাম।
গত ১৯ জুলাই বিমসটেকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সমুদ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর পেশাগত আচরণের বিষয়ে একগুচ্ছ নীতিমালা সম্মেলনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এগুলো সদস্য দেশগুলোর সামুদ্রিক তৎপরতার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা জোরদার করতে হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ, ভুটান, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বা প্রতিনিধিদলের প্রধানরা সন্ত্রাসবাদ এবং সংগঠিত অপরাধ মোকাবিলা; সাইবার, সামুদ্রিক এবং জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; যোগাযোগ বৃদ্ধি; কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সহজতর করা এবং নিরাপত্তার জন্য নতুন ও উদীয়মান হুমকি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে মতবিনিময় করেন।
